Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

যবিপ্রবিতে সেমিনার: বিজ্ঞান গ্রাজুয়েটদের অ-বিজ্ঞান পেশায় ঝোঁকার প্রবণতা বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ মে,২০২৬, ০৮:০০ পিএম
যবিপ্রবিতে সেমিনার: বিজ্ঞান গ্রাজুয়েটদের অ-বিজ্ঞান পেশায় ঝোঁকার প্রবণতা বাড়ছে

মঙ্গলবার (১৯ মে) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সেন্ট্রাল গ্যালারিতে একাডেমিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: ধ্রুব নিউজ

বিজ্ঞানে শিক্ষিত গ্রাজুয়েটরা ডিগ্রি অর্জনের পর বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট ক্যারিয়ার ছেড়ে অ-বিজ্ঞান সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে চলে যাচ্ছেন। এর ফলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বিপুল পরিমাণ ডিগ্রিধারী তৈরি করলেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে যোগ্য জনবল ধরে রাখতে পারছে না। ফলশ্রুতিতে দেশের শ্রমবাজার এবং জাতীয় অর্থনীতি ব্যাপক ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

মঙ্গলবার (১৯ মে) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সেন্ট্রাল গ্যালারিতে আয়োজিত এক একাডেমিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘বাংলাদেশে বিজ্ঞান শিক্ষার তত্ত্ব ও প্রয়োগের ব্যবধান দূরীকরণ’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে কেআরটিসি দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তর।

সেমিনারে জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব সিগেন থেকে উচ্চতর ডিগ্রিধারী এবং কেআরটিসি'র প্রতিষ্ঠাতা মূল বক্তা ও গবেষণা সমন্বয়কারী মোঃ জাকারিয়া হোসেন তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশে বিজ্ঞান শিক্ষার বর্তমান সংকট, সীমাবদ্ধতা এবং কাঠামোগত নীতিগত সমস্যাগুলো বিশদভাবে তুলে ধরেন।

সেমিনারে বক্তারা দেশের বিজ্ঞান শিক্ষার বর্তমান নাজুক পরিস্থিতি উল্লেখ করে বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থীরা নামমাত্র হাতে-কলমে কাজ বা ল্যাবরেটরি সুবিধা নিয়ে ডিগ্রি শেষ করছে। ফলে তাদের বাস্তবভিত্তিক ও ব্যবহারিক দক্ষতা অত্যন্ত দুর্বল থেকে যাচ্ছে। বর্তমান পাঠ্যক্রম মূলত তাত্ত্বিক এবং পাঠ্যবই-কেন্দ্রিক, যার সাথে বাস্তব কর্মজগতের কোনো মিল নেই। তাছাড়া, স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মেন্টরশিপ বা বৈজ্ঞানিক গবেষণার সুযোগ একেবারেই সীমিত।

বক্তারা আরও জানান, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতি শিক্ষার্থীর পেছনে সরকারের প্রতি বছর প্রায় ৮৭ হাজার থেকে ২ লক্ষ ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় হচ্ছে। কিন্তু গবেষণাগার ও সঠিক নীতিমালার অভাবে এই বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে কাঙ্ক্ষিত বৈজ্ঞানিক আউটপুট বা দেশীয় প্রযুক্তিগত উন্নয়ন আসছে না।

এই তত্ত্ব ও প্রয়োগের ব্যবধান দূর করতে সেমিনারে বক্তারা কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেন। যার মধ্যে রয়েছে—পাঠ্যক্রমের আধুনিকায়ন, ল্যাবরেটরি সুবিধা বৃদ্ধি, স্নাতক পর্যায় থেকে গবেষণায় তহবিল বরাদ্দ এবং বিজ্ঞান গ্রাজুয়েটদের জন্য আকর্ষণীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি। একই সাথে এই সংকট উত্তরণে সরকারের নীতিগত পরিবর্তন ও বড় ধরনের বিনিয়োগের আহ্বান জানান তারা।

উক্ত সেমিনারে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রাসায়নিক প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দিলীপ কুমার সরকার এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. শাহ মোঃ শাহান শাহরিয়ার।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)