Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

ফখর জামানের সেঞ্চুরিতে লাহোর কালান্দার্সের জয়

ক্রীড়া ডেস্ক ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল,২০২৬, ১০:৪৬ পিএম
ফখর জামানের সেঞ্চুরিতে লাহোর কালান্দার্সের জয়

ফখর জামানের বিধ্বংসী ১০৩ রানের ইনিংসটিই গড়েছে ব্যবধান ছবি: পিএসএল

আবরার আহমেদের শেষ মুহূর্তের ১৪ বলে ২৪ রানের ক্যামিও ইনিংসটি একটি অবিশ্বাস্য জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফখর জামানের বিধ্বংসী ১০৩ রানের ইনিংসটিই গড়ে দিল ব্যবধান। ফখরের ৫১ বলের সেই ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে ভর করে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরসকে ৯ রানে হারিয়েছে লাহোর কালান্দার্স। এই জয়ে চলতি আসরে প্রথমবারের মতো টানা দুই ম্যাচে জয়ের দেখা পেল তারা।

এই ফলাফলের পর পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে কালান্দার্স। হাতে আরও দুটি ম্যাচ থাকায় এখন তারা প্লে-অফের স্বপ্ন দেখতেই পারে। অন্যদিকে, টানা দ্বিতীয় হারে কিছুটা বিপাকেই পড়ে গেল গ্ল্যাডিয়েটরস। ৬ পয়েন্ট নিয়ে তারা এখন পয়েন্ট টেবিলের নাজুক অবস্থানে। তাদের নিচের দলগুলোর হাতে অন্তত তিনটি করে ম্যাচ বাকি থাকায়, কোয়েটাকে এখন টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে অন্য দলগুলোর ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।

মঙ্গলবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রান তাড়া করতে নেমে জয়ের বেশ কাছেই ছিল কোয়েটা। ১৯৮ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪৯ রানের উদ্বোধনী জুটি এবং শামিল হোসেন (৩১ বলে ৫৩) ও রাইলি রুশোর (২৯ বলে ৬২) দুর্দান্ত ইনিংসে চড়ে ম্যাচে ভালোভাবেই টিকে ছিল তারা। কিন্তু এই দুই আগ্রাসী ব্যাটার ফেরার পর তাদের ইনিংসের আর কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট ছিল ১৫তম ওভারের শেষে রুশোর বিদায়। প্রোটিয়া এই ব্যাটার যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, লক্ষ্যটা হাতের নাগালেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু তিনি ফিরতেই পথ হারায় কোয়েটা। শেষ চার ওভারে তারা তুলতে পারে মাত্র ৩১ রান। হ্যারিস রউফ (২/২৮) ও শাহিন শাহ আফ্রিদি (১/৩৫) তাদের অসাধারণ ডেথ বোলিং নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ম্যাচটি লাহোরের দিকে টেনে নেন।

পুরো ম্যাচটি ছিল মূলত 'ফখর শো'। অদ্ভুত এই ম্যাচে অনেক ব্যাটারই টাইমিং মেলাতে হিমশিম খেয়েছেন, তবে যারা ক্রিজে থিতু হতে পেরেছেন তারা দাপট দেখিয়েছেন। ম্যাচে একটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ সেঞ্চুরি হলেও মাত্র দুজন ব্যাটার ২০-এর বেশি রান করতে পেরেছেন, যার মধ্যে একজন নয় নম্বর ব্যাটার আবরার।

একক কোনো উইকেটে খেলার মোড় কীভাবে ঘুরে যেতে পারে, তা এই ম্যাচে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। রান তাড়া করার সময় শামিল ও রুশো আক্রমণাত্মক মেজাজে থাকলেও অন্য প্রান্তের ব্যাটাররা ছিলেন স্রেফ দর্শক। এমনকি সৌদ শাকিল যেখানে বলে বলে রান (১৭ বলে ১৭) নিয়েছেন, সেখানে শামিল প্রায় ২০০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করেছেন।

শেষ পর্যন্ত ফখর জামান ক্রিজে কাটানো সময়ের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করায় জয় পায় লাহোর। তার ২০১.৯৬ স্ট্রাইক রেটের সামনে দলের অন্য সবাই ছিলেন ম্লান। ড্যানিয়েল স্যামসের ১২ বলে ১৮ রানের ইনিংসটি (স্ট্রাইক রেট ১৫০) ছিল ফখরের পর দ্বিতীয় সেরা। চারিত আসালাঙ্কা ৩১ বলে ২৪ রান করে ফখরকে যোগ্য সঙ্গ দিলেও তার ব্যাটিং ছিল কিছুটা ধীরগতির। ফখর মাত্র ৫০ বলে তার শতক পূর্ণ করেন, যেখানে ছিল ১১টি চার ও ৬টি ছক্কার মার।

পাওয়ারপ্লেতে ফখরের ব্যাটিংয়ে লাহোর ১ উইকেটে ৫৮ রান তোলে এবং ১০ ওভারের মধ্যেই দলীয় সংগ্রহ ১০০ ছাড়িয়ে যায়। যদিও আব্দুল্লাহ শফিক ও আসালাঙ্কা খুব একটা গতিময় ইনিংস খেলতে পারেননি, তবুও ফখর ফিরলে শেষ দিকে স্যামসের কার্যকর ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে লাহোর ১৯৭ রানের সংগ্রহ পায়। আর শেষবেলায় লাহোরের পেসাররা জ্বলে উঠলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কালান্দার্স।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড:

লাহোর কালান্দার্স: ১৯৭/৬ (ফখর ১০৩, আসালাঙ্কা ৩১; খলিল ২/৩৮)

কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরস: ১৮৮/৭ (রুশো ৬২, শামিল ৫৩; রউফ ২/২৮)

ফল: লাহোর কালান্দার্স ৯ রানে জয়ী।

 

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)