❒ মনিরামপুরের রাজনীতি
শফিউল্লাহ
❒ অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক ছবি:
নির্বাচনী হাওয়া লাগতেই দেশের বিভিন্ন জনপদের মতো মনিরামপুরেও রাজনীতির পারদ চড়তে শুরু করেছে। তবে এই সময়ের রাজনৈতিক চিত্র ভিন্ন এক বার্তা দিচ্ছে। দলীয় সীমানা পেরিয়ে সাধারণ জনগণের মধ্যে এখন এমন এক প্রার্থীর প্রতি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, যিনি তাদের চোখে সততা, যোগ্যতা ও ভরসার প্রতীক। অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হকের সাম্প্রতিক গণসংযোগে সেই আগ্রহই যেন মূর্ত হয়ে উঠেছে।
অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেখানেই যাচ্ছেন, সেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে। স্থানীয়রা এই উদ্দীপনাকে ২০১৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণার এক 'গণজোয়ারের' প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখছেন। মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি ইঙ্গিত দেয়, প্রার্থীর জনপ্রিয়তা দলীয় পরিচয়ের বাইরেও বিস্তৃত এবং এই বিষয়টি মনিরামপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
কিন্তু এই আগ্রহের মূল কারণ কী? স্থানীয় বিশ্লেষকরা মনে করেন, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ। চায়ের দোকান থেকে পাড়া-মহল্লা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের আলোচনায় চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও মাস্তানীর মতো সামাজিক ব্যাধিগুলিই প্রধান আলোচ্য বিষয়। সাধারণ জনগণ এখন এমন নেতৃত্ব খুঁজছেন, যিনি এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সক্ষম। সুবিধা বঞ্চিত, অবহেলিত ও প্রতারিত মানুষের চোখে প্রার্থীর উপস্থিতি এক নতুন ভরসা জোগাচ্ছে। জনগণ মনে করছেন, তাঁর মতো একজন সৎ ও যোগ্য প্রার্থীই তাঁদের বৃহত্তর আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে একমাত্র 'আস্থাভাজন' হতে পারেন।
এই চিত্র মনিরামপুরের রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য এক সুস্পষ্ট বার্তা বহন করে। সাধারণ মানুষ আর কেবল দলীয় আনুগত্যে আবদ্ধ থাকতে চাইছে না; বরং তারা এমন একজন কাণ্ডারীকে খুঁজছেন, যিনি তাঁদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে সক্ষম হবেন। জনগণ ষড়যন্ত্র বা চক্রান্তের ঊর্ধ্বে উঠে তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।