নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের বাঘারপাড়ায় চোরাই ড্রাম ট্রাক কেটে টুকরো করার সময় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: ধ্রুব নিউজ
যশোরের বাঘারপাড়ায় চোরাই ড্রাম ট্রাক কেটে টুকরো করার সময় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। এর মধ্যে খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা তিনজনকে এবং পরবর্তীতে যশোর ডিবি পুলিশ আরও একজনকে আটক করে। এ ঘটনায় আটক চারজনসহ মোট ছয়জনের নাম উল্লেখ করে বাঘারপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ সোমবার আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন—যশোর সদরের আড়পাড়া গ্রামের মৃত ইদ্রিস মিয়ার ছেলে জামাল হোসেন, শহরের বকচর হুশতলা এলাকার মৃত মিলন তালুকদারের ছেলে সেতু তালুকদার, সদরের কামালপুর দক্ষিণপাড়ার মৃত রজব আলীর ছেলে এনামুল হক এবং শহরের বকচর হুশতলা মাঠপাড়ার হাসান শিকদারের ছেলে হামজা।
এছাড়া মামলার পলাতক আসামিরা হলেন—একই এলাকার বকচর হুশতলা এলাকার আবু তালহা এবং বদিয়ার রহমানের ছেলে জীবন।
ডিবি পুলিশের এসআই ফকির সালাউদ্দিন খান জানান, আজ সোমবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেলিধান্যপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ফার্ম হাউজে যৌথ অভিযান চালান খাজুরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ফিরোজ হোসেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও জামাল, সেতু ও এনামুলকে হাতেনাতে আটক করা হয়। আসামিরা সবাই মিলে ওই ফার্ম হাউজের প্রাচীরের ভেতরে চোরাই ট্রাকটি কাটছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি হলুদ রঙের ড্রাম ট্রাকের কাটা অংশ এবং কাটিংয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি ছোট পিকআপ জব্দ করে।
পুলিশ জানায়, আটককৃত তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা ওই ড্রাম ট্রাকের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। উদ্ধারকৃত ট্রাকের দরজার ওপরে ‘আয়েশা এন্টারপ্রাইজ’ লেখা রয়েছে। তবে আটককৃতদের কেউই এই ট্রাকের প্রকৃত মালিকের কোনো সন্ধান দিতে পারেননি।
ডিবি পুলিশের এসআই ফকির সালাউদ্দিন খান আরও জানান, ঘটনার পর বাঘারপাড়া থানায় ছয়জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্তে নেমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর আসামি হামজাকে আটক করে ডিবি পুলিশ। এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট চারজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।