Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

❒ আদালতে মামলা

স্ত্রীকে ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
স্ত্রীকে ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

মণিরামপুরে পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হয়ে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে স্ত্রী ও তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা করা হয়েছে। আজ সোমবার যশোর সদরের গোপালপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে ইমরান হোসেন রনি বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন—মণিরামপুর উপজেলার নাগরঘোপ গ্রামের আলতাফ হোসেনের মেয়ে ও বাদীর স্ত্রী মুসলিমা খাতুন এবং হাসাডাঙ্গা গ্রামের সাত্তারের ছেলে মোস্তফা।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ইমরান হোসেন রনির সাথে মুসলিমা খাতুনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের ১০ বছর বয়সী মরিয়ম আক্তার মাওফিয়া নামের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। সম্প্রতি বাদীর স্ত্রী মোস্তফার সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। গত ২৬ আগস্ট ব্যবসায়ের তেল বিক্রির ৫ লাখ টাকা এনে স্ত্রীর নিকট গচ্ছিত রেখে বাইরে যান ইমরান। এ সুযোগে মুসলিমা প্রেমিক মোস্তফার সহায়তায় গচ্ছিত ৫ লাখ টাকা এবং শাশুড়ির ৫ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

পরবর্তীতে গত ২৮ আগস্ট বাদী বিষয়টি জানতে আসামির বাড়ি গেলে তাকে গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মণিরামপুর থানায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ তা গ্রহণ না করায় বাধ্য হয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন।

বাদীর আইনজীবী শেখ তাজ হোসেন তাজু জানান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগটি গ্রহণ করে মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

অভয়নগরে পিতাকে মারধর, ছেলের বিরুদ্ধে মামলা 

অভয়নগরে নেশার টাকা ও জমি রেজিস্ট্রি করে না দেওয়ায় নিজ পিতাকে মারধর ও গলা টিপে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে ছেলে হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। আজ সোমবার ভুক্তভোগী পিতা মতিয়ার রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা অভিযোগটি গ্রহণ করে আসামি হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, অভয়নগর উপজেলার সারখোলা বুইকরা গ্রামের বাসিন্দা মতিয়ার রহমানের ছেলে হুমায়ুন কবির গত দুই বছর ধরে বেপরোয়া ও নেশাগ্রস্ত জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। কোনো কাজ-কর্ম না করে তিনি প্রায়ই পিতার কাছে নেশার টাকা দাবি করতেন এবং টাকা না পেলে ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর ও বিক্রি করতেন।

গত ৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় হুমায়ুন কবির তার পিতার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন এবং জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। মতিয়ার রহমান টাকা ও জমি দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি, লাথি মেরে রক্তাক্ত করা হয় এবং একপর্যায়ে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়।

পিতা মতিয়ার রহমানের চিৎকারে প্রতিবেশীরা উদ্ধারে এগিয়ে এলে আসামি হুমায়ুন কবির ধারালো ছুরি নিয়ে তাদেরও কোপানোর তাড়া দেন এবং ঘরের ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। এ ঘটনায় মণিরামপুর/অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশ তা গ্রহণ না করায় বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী পিতা আদালতের শরণাপন্ন হন।

যশোরে গৃহবধূ উর্মিকে হত্যা ও আত্মহত্যা

বলে চালানোর অভিযোগে মামলা

যশোর প্রতিনিধি যশোর শহরতলীর বাহাদুরপুর গ্রামে গৃহবধূ উর্মি খাতুনকে শারীরিক নির্যাতন ও শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ সোমবার নিহতের পিতা যশোর সদর উপজেলার তালবাড়িয়া গ্রামের মো. আয়ুব আলী বাদী হয়ে এ মামলা করেন। অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম অভিযোগটির তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন—যশোর সদরের হাসিমপুর গ্রামের মিলন হোসেন, তার স্ত্রী নাসরিন খাতুন, মা আফরোজা বেগম এবং তালবাড়িয়া গ্রামের মৃত আমিন সরদারের ছেলে মোলাম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, প্রায় ১৩ বছর আগে আয়ুব আলীর মেয়ে উর্মি খাতুনের সাথে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মোল্যাডাঙ্গা গ্রামের ইব্রাহীম হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে তিনটি সন্তান রয়েছে। ৫ বছর আগে ইব্রাহীম মালয়েশিয়া যান এবং প্রবাসে থাকাকালে স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন সময়ে মোট ২৬ লাখ টাকা পাঠান। ব্যাংকে যাতায়াতের সুবাদে ১ নম্বর আসামি মিলন হোসেনের সাথে উর্মির পরিচয় ও পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে আসামিরা যোগসাজশ করে ওই টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ইব্রাহীমের সাথে উর্মির বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করিয়ে গোপনে মিলনের সাথে বিয়ে দেয়। প্রবাস থেকে ফিরে ইব্রাহীম টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেন।

অভিযোগে আরও জানানো হয়, উক্ত বিরোধের জেরে গত ৮ আগস্ট বাহাদুরপুর গ্রামের এক ভাড়া বাসায় আসামি মিলন হোসেন, তার মা আফরোজা বেগম ও প্রথম স্ত্রী নাসরিন খাতুন একত্রিত হয়ে আসামি মোলামের পরামর্শে ঘরের দরজা বন্ধ করে উর্মিকে নির্যাতন ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে তারা নিহতের লাশ ঘরের টিনের চালের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখেন।

ঘটনার পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। প্রথমে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ আদালত থেকে মামলা করার পরামর্শ দেয়। পরবর্তীতে আসামিদের হুমকি ও স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় নিহতের পিতা আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)