Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

সৌদি আরবে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি: যশোরে আদালতে করা মামলা থানায় এজাহার হিসেবে রুজু

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর,২০২৬, ০৭:১৫ পিএম
সৌদি আরবে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি: যশোরে আদালতে করা মামলা থানায় এজাহার হিসেবে রুজু

যশোর সদরের কিসমত এনায়েতপুর গ্রামের হাসানুর রহমানকে ভালো কাজের প্রলোভনে সৌদি আরবে নিয়ে বন্ধ ঘরে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে আদালতে দায়েরকৃত মামলাটি কোতোয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু হয়েছে। বিচারকের নির্দেশনায় মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে পুলিশ। এ মামলায় চারজনকে আসামী করা হয়েছে।

মামলার আসামীরা হলেন— ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার সিংহী গ্রামের মজিদ মুন্সির স্ত্রী আরজিনা বেগম, ঝিনাইদহ সদরের আরবপুর স্টিলনগর গ্রামের আতিকুর রহমান ও তার স্ত্রী অরুনা বেগম এবং জয়পুরহাটের 'বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ'-এর মালিক মেসবাউল ইসলাম।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর যশোর সদরের কিসমত এনায়েতপুর গ্রামের ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী মেহনাজ আফরোজ বাদী হয়ে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী মেহনাজ আফরোজের আপন খালা আসামী আরজিনা বেগম। তার মাধ্যমেই অন্যান্য আসামীদের সঙ্গে পরিচয় ঘটে। হাসানুর রহমানকে বৈধভাবে সৌদি আরবে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে আসামীরা ৭ লাখ টাকা চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী বিভিন্ন দফায় আসামী মেজবাউল ইসলামের ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবে ৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকা এবং বাড়িতে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আরজিনা ও অরুনা বেগমের হাতে নগদ আরও ২ লাখ ২১ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

টাকা পাওয়ার পর চলতি বছরের ৩ এপ্রিল বিকেলে আরজিনা ও অরুনা বেগম হাসানুরকে বাড়ি থেকে নিয়ে যান এবং পরদিন ঢাকা থেকে বিমানে সৌদি আরবে পাঠান। ৫ এপ্রিল রিয়াদ বিমানবন্দরে পৌঁছালে আসামী আতিকুর রহমান তাকে রিসিভ করে একটি অজানা স্থানে নিয়ে আটকে রাখেন। পরবর্তীতে ৮ এপ্রিল হাসানুরকে রিয়াদ থেকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরের 'নাজরান' নামক স্থানের একটি বন্ধ ঘরে জিম্মি করে পরিবারের কাছে আরও ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

ভুক্তভোগীকে নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠানোর আশ্বাসে স্বজনরা ৩০ এপ্রিল আসামী মেজবাউলের ব্যাংক হিসাবে ৩৫ হাজার টাকা এবং ৫ মে আরজিনা ও অরুনাকে আরও ৩ লাখ টাকা দেন। তবে টাকা নেয়ার পরও হাসানুরকে দেশে ফেরত না পাঠিয়ে আসামীরা সব ধরণের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

এ ঘটনায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীর পরিবার কোতোয়ালি থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেনি। বাধ্য হয়ে বাদী ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার জন্য কোতোয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশনার পর বুধবার কোতোয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে এটি রুজু হয়।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)