Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

যশোরের মেয়ে স্কুলছাত্রী তাজমিনকে হত্যার আগে ধর্ষণও করেন সিএনজিচালক সুমন: পুলিশ

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : শনিবার, ১০ অক্টোবর,২০২৬, ১১:৫০ এ এম
আপডেট : শনিবার, ১০ অক্টোবর,২০২৬, ০২:১৪ পিএম
যশোরের মেয়ে স্কুলছাত্রী তাজমিনকে হত্যার আগে ধর্ষণও করেন সিএনজিচালক সুমন: পুলিশ

কুমিল্লার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পংকজ বড়ুয়া। ছবি: সংগৃহীত

যশোরের মেয়ে সপ্তম শ্রেণির  শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অটোরিকশাচালক সুমন একাই জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যার পর ওই শিক্ষার্থীর মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। শুক্রবার চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার সকাল সোয়া ১০টায় কুমিল্লার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পংকজ বড়ুয়া।

চট্টগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়     ছবি : সংগৃহীত

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাতে নগরের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা থেকে ৩০০ টাকা ভাড়ায় অটোরিকশায় ওঠেন ওই শিক্ষার্থী। তাকে নগরের রেসকোর্স এলাকার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চালক অন্য স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ধানখেতে মাথা চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যান সুমন।

পুলিশ জানায়, সুমনের বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায়। কয়েক বছর আগে বিয়ে করে তিনি কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জয়নগর গ্রামে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস শুরু করেন।

পুলিশ জানায়, অটোরিকশার নিবন্ধনের সূত্র ধরে গাড়িটির মালিক হিসেবে লালমাই উপজেলার আবুল হাসেমকে শনাক্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অটোরিকশার চালক সুমনের পরিচয় জানতে পারে পুলিশ।

পরে শুক্রবার চট্টগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে কুমিল্লায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর তার দেখানো মতে নগরের উপকণ্ঠের বাখরাবাদ এলাকা থেকে শিক্ষার্থীর মুঠোফোনটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগৎপুর গ্রামের একটি ফসলি জমি থেকে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে শিক্ষার্থীর মুঠোফোনের কললিস্ট ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এতে তার চলাচল সম্পর্কে কিছু তথ্য পাওয়া যায়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ অক্টোবর বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় ওই শিক্ষার্থী। তবে মুঠোফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণে পুলিশ জানতে পারে, সেদিন তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যান। পরদিন ৫ অক্টোবর কুমিল্লায় ফিরে ভোররাতে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন।

৭ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে রওনা হয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে নূরজাহান হোটেলের সামনে নামেন তিনি। পুলিশের ভাষ্য, সিসিটিভি ফুটেজে তাকে একটি গাড়ি থেকে একা নামতে দেখা গেছে। আশপাশের কয়েকটি ক্যামেরার ফুটেজে তাকে মুঠোফোন হাতে ও কাঁধে ব্যাগ নিয়ে ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। পরে তিনি সড়কের দিকে চলে গেলে আর তার চলাচল ক্যামেরায় ধরা পড়েনি।

মরদেহ উদ্ধারের পর ওই শিক্ষার্থীর বাবা সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, বুধবার গভীর রাতে তার মেয়ে মুঠোফোনে বার্তা ও লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে তাকে আটকে রাখার কথা জানায় এবং উদ্ধারের জন্য অনুরোধ করে। তবে তিনি তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরে বার্তা দেখে লাইভ লোকেশন অনুসরণ করে সেখানে গিয়ে মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পারেন।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)