নিজস্ব প্রতিবেদক
ভিডিও থেকে নেয়া ছবি:
“আমাদের বসে থাকলে চলবে না, ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগিয়েই গড়তে হবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ।” সোমবার যশোরের শার্শার ঐতিহাসিক উলাশীতে পিতার স্মৃতিধন্য উলাশী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা স্লোগান দিই—করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। তবে শুধু কাজ করলেই হবে না, অতন্দ্র প্রহরীর মতো সতর্ক থাকতে হবে। যারা সরকারের ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষিকার্ডের মতো উন্নয়নমূলক কাজে বাধা দেবে, তাদের বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে।”
এরআগে তিনি নিজে হাতে কোদাল চালিয়ে পুনঃখনন কাজের সূচনা করেন এবং একটি বৃক্ষের চারা রোপণ করেন।
আরো পড়ুন -
পিতার হাতের সেই কোদাল, আজ সন্তানের হাতে
উলশীতে প্রধানমন্ত্রী, করলেন খাল খনন উদ্বোধন
খালের ওপর নির্মিত একটি সাধারণ ছোট মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন নিচে মরা খালের ভেতরে দাঁড়িয়েই হাজার হাজার মানুষ তাঁর কথা শোনেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জামায়াতের সংসদ সদস্য মাওলানা আজীজুর রহমান এবং মোসলেহ উদ্দিন ফরিদসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
বক্তব্য চলাকালীন সভাস্থলের অদূরে একটি জরাজীর্ণ ব্রিজের দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী সেটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের ঘোষণা দেন। তিনি আবেগমথিত কণ্ঠে বলেন, “খাল খনন শেষ হলে যখন এখানে টলমলে পানির স্রোতধারা বইবে, সেই দৃশ্য দেখতে আমি আবারো আপনাদের মাঝে ফিরে আসবো।”
এর আগে উলাশীতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছ থেকে তাঁর পিতার সেই সময়কার স্মৃতি জানতে চান। উলাশীর কর্মসূচি শেষ করে প্রধানমন্ত্রী যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট ভবনের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। বিকেলে তিনি যশোর ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন।