ধ্রুব ডেস্ক
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছবি: সংগৃহীত
২৫ মে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী। প্রায় দুই দশক পর এবার ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয়ভাবে কবির জন্মোৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আজ শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালে সর্বশেষ ত্রিশালে নজরুল–জয়ন্তী হয়। পরে স্থানীয়ভাবে হলেও জাতীয় পর্যায়ে আর হয়নি। এ নিয়ে অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম করলেও কাজ হয়নি। দুই দশক পর এবার জাতীয় পর্যায়ে ত্রিশালে অনুষ্ঠান হওয়ায় উচ্ছ্বসিত স্থানীয় লোকজন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শনিবার বেলা সাড়ে তিনটায় কবির স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশাল সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে (সাবেক দরিরামপুর হাইস্কুল) তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নজরুল–জয়ন্তী ছাড়াও এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ত্রিশালের বৈলরে ধরার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন তিনি। পরে জন্মোৎসব অনুষ্ঠান উদ্বোধন শেষে বিকেলে ত্রিশাল নজরুল মিলনায়তনে ময়মনসিংহ জেলা উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান।
ভারতের আসানসোল থেকে কবিকে ত্রিশালের কাজীর শিমলা গ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন দারোগা রফিজ উল্লাহ। নজরুল ১৯১৪ সালের জুন মাসে ত্রিশালে আসেন। ছিলেন ১৯১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। তাঁকে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করানো হয়েছিল দরিরামপুর হাইস্কুলে (বর্তমান নজরুল একাডেমি)। প্রথমে কাজীর শিমলা দারোগা বাড়িতে থাকলেও স্কুলে যাতায়াতের কষ্ট লাঘবে নজরুল ইসলামকে ত্রিশালের নামাপাড়ায় বিচুতিয়া ব্যাপারী বাড়িতে জায়গির রাখা হয়।
অষ্টম শ্রেণিতে ওঠার পর ত্রিশাল ছাড়েন কবি। চিরদিনের জন্য নজরুল ত্রিশাল ছাড়লেও নজরুলকে ছাড়েনি ত্রিশাল। এখানে কবিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন স্থাপনা, স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। ২০০৮ সালে ত্রিশালের কাজীর শিমলা দারোগাবাড়ি ও বিচুতিয়া ব্যাপারী বাড়িতে গড়ে উঠেছে দুটি কবি নজরুল স্মৃতিকেন্দ্র। দুটি কেন্দ্রই পরিচালনা করছে নজরুল ইনস্টিটিউট।