❒ নাশকতার পরিকল্পনা ও ককটেল হামলা
ধ্রুব রিপোর্ট
নাশকতা পরিকল্পনা ও বোমা হামলার ঘটনায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মণিরামপুর থানায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার নোয়ালি গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে মশ্মিমনগর ইউনয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে খানপুর শেখপাড়া গ্রামের মৃত শেখ আইয়ুব আলীর ছেলে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপত শেখ হেলাল উদ্দিনকে আটক করেছে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ২৯ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা খাজুরা কাঠালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে একত্রিত হয়ে আসন্ন নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছিল। এ সময় মফিজুর রহমান কাঠালতলা বাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়না হন। খাজুরা কাঠালতলা স্কুলের সামনে পৌঁছালে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে গালিগালাজ করে মারপিট করার জন্য ধাওয়া করে। মফিজুর রহমানের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তারা তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মফিজুর রহমান বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে থানায় এ মামলা করেন।
আসামিরা হলেন, মশ্মিমনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, সমশেরবাগ গ্রামের গোলাম হোসেন, নুরুজ্জামান নুরু, লক্ষিকান্তপুর গ্রামের মোকলেসুর রহমান, ভরতপুর গ্রামের জিয়াউর রহমান, ষোলখাদা গ্রামের হেলাল হোসেন, মশ্মিমনগর গ্রামের লতিফ, চাকলা গ্রামের মহিদুল, ওয়ার্ড কৃষকলীগের সভাপতি আবজাল খা, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হাজরাকাঠি গ্রামের হোসেন, সমশেরবাগ গ্রামের আব্দুল খালেক গাজী, জেলা ছাত্রলীগের সদস্য হাজরাকাঠি গ্রামের ফজলু ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য হাজরাকাঠি গ্রামের এনামুল।
পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার ভিযোগে শেখ হেলাল উদ্দিনকে মঙ্গলবার রাতে তার বাড়ি থেকে আটক করে। তিনি খানপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। বুধবার আটক হেলাল উদ্দিনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।