Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

চাঁদে আছড়ে পড়ল ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানের তৈরি রকেট

প্রযুক্তিে ডেস্ক প্রযুক্তিে ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট,২০২৬, ১০:৪৯ এ এম
চাঁদে আছড়ে পড়ল ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানের তৈরি রকেট

ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবী থেকে দেখতে অপরূপ চন্দ্রপৃষ্ঠে আছড়ে পড়ল চার কেজি ওজনের ফ্যালকন-৯ রকেট। যেটি বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের তৈরি। মহাকাশে এক বছরেরও বেশি সময় ভেসে থাকার পর বুধবার (৫ আগস্ট) রকেটটি চাঁদে আছড়ে পড়ে। খবর টেলিগ্রাফের।

বিজ্ঞানীরা আগেই জানিয়েছিলেন, ঘণ্টায় প্রায় ৫ হাজার ৪০০ মাইল বা শব্দের গতির প্রায় সাত গুণ বেগে চাঁদের পৃষ্ঠে আঘাত হানতে পারে রকেটটি। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী এটি বুধবার বিকালে চাঁদে আঘাত হানার কথা ছিল।

এ সংঘর্ষে প্রায় তিন টন টিএনটির সমপরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। এর ফলে চাঁদের পৃষ্ঠে নতুন একটি গর্ত তৈরি হওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ধুলা ও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

পৃথিবী থেকে টেলিস্কোপের মাধ্যমে ঘটনাটি দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সংঘর্ষের সময় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন দেখতে পাননি। ঘটনাটি নিশ্চিত করতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।

ধারণা করা হচ্ছে, সংঘর্ষের ফলে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ লাখ কেজি ধ্বংসাবশেষ ওপরে উঠে যেতে পারে। নাসার লুনার রিকনেসাঁ অরবিটার আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সংঘর্ষস্থলের ছবি তুলবে। এর মাধ্যমে সংঘর্ষের প্রকৃত প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

ফ্যালকন-৯ রকেটটি ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে চাঁদে দুটি লুনার ল্যান্ডার পাঠানোর একটি অভিযানে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। রকেটটির কোনো অংশেরই চাঁদে আছড়ে পড়ার কথা ছিল না।

রকেটের নিচের অংশটি, যা উৎক্ষেপণের সময় ল্যান্ডার দুটিকে গতি দিয়েছিল, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসে। তবে ল্যান্ডারগুলোকে চাঁদের দিকে পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত রকেটের ওপরের অংশটি মহাকাশেই থেকে যায়।

নাসার বিজ্ঞানবিষয়ক পরিচালক ও স্পেসএক্সের ড্রাগন মহাকাশযান কর্মসূচির পরিচালক জুলিয়ানা শেইমান জানান, সৌর কার্যকলাপ ও মহাকর্ষীয় শক্তির সম্মিলিত প্রভাবে রকেটের ওই অংশের গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে চাঁদের দিকে চলে যায়।

টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণার প্রাকপ্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ওয়্যার্ড জানিয়েছে, সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষের মেঘ প্রায় ১১৪ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।

এদিকে নাসা জানিয়েছে, এই সংঘর্ষ পৃথিবীর জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি করেনি। তবে ভবিষ্যৎ প্রশিক্ষণের কাজে রকেটের গতিপথ পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য সংঘর্ষস্থল পর্যবেক্ষণ করা হবে।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)