Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর কাজে যোগ দিয়েছেন হ্যান্ডলিং শ্রমিকরা

বেনাপোল প্রতিনিধি বেনাপোল প্রতিনিধি
প্রকাশ : রবিবার, ১৪ জুন,২০২৬, ১১:২০ এ এম
আপডেট : রবিবার, ১৪ জুন,২০২৬, ১২:১৯ পিএম
বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর কাজে যোগ দিয়েছেন হ্যান্ডলিং শ্রমিকরা

সকালে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করলেও আলোচনার পর কাজে যোগদেন শ্রমিকরা। ছবি: ধ্রুব নিউজ

ন্যায্য মজুরির দাবিতে বেনাপোল স্থলবন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করেছেন হ্যান্ডলিং শ্রমিকরা। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সুনির্দিষ্ট আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমিকেরা তাদের আন্দোলন এক মাসের জন্য স্থগিত করেছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।

আজ রোববার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বেনাপোল স্থলবন্দরের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৮৯১ ও ৯২৫-এর সদস্যরা।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, ২০১২ সালে বন্দর কর্তৃপক্ষ আমদানিকারকদের কাছ থেকে প্রতি টন পণ্য হ্যান্ডলিং বাবদ ৩৩ টাকা আদায় করলেও শ্রমিকরা পেতেন ১৮ টাকা। দীর্ঘ ১৪ বছর পর বর্তমানে ওই হ্যান্ডলিং চার্জ বেড়ে ৭৮ টাকায় উন্নীত হলেও শ্রমিকদের মজুরি এখনো ১৮ টাকাতেই আটকে রয়েছে। বর্তমান বাজারমূল্যের সঙ্গে এই মজুরি সামঞ্জস্যহীন হওয়ায় তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

শ্রমিকদের দাবি, প্রতি টন পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল শ্রমিকদের মজুরি ৩৫ টাকা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ৩০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

কর্মবিরতির খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আন্দোলনস্থলে উপস্থিত হন বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন, বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, শ্রমিক ইউনিয়ন ৮৯১-এর সভাপতি মাসুদুর রহমান রিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক লিটন, এবং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর সভাপতি তবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক শহীদ আলী।

পরে বন্দর কর্তৃপক্ষ, সি অ্যান্ড এফ অ্যাসোসিয়েশন ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে শ্রমিকদের উত্থাপিত যৌক্তিক দাবিগুলো আগামী এক মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট আশ্বাস দেওয়া হয়। আশ্বাস বিবেচনায় নিয়ে শ্রমিকরা তাদের কর্মসূচি এক মাসের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

তবে শ্রমিক নেতারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে এক মাস পর পুনরায় অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিসহ আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

এদিকে সকালের এই কর্মবিরতির কারণে বন্দর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য পণ্য খালাস ও পরিবহন কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিলেও, ফলপ্রসূ আলোচনার পর বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্রম আবার পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)