নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: প্রতীকী
কৃষি অফিসে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (ব্লক সুপারভাইজার) স্বপংকর মিত্রের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার যশোর সদরের কেফায়েতনগর গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ বাচ্চুর ছেলে কামাল হোসেন এ মামলা করেছেন। অতিরিক্তি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম অভিযোগটি গ্রহণ করে আসামির প্রতি সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।
আসামি স্বপংকর মিত্র ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার পোড়াহাটি গ্রামের মৃত নারায়ণ মিত্রের ছেলে। তিনি বর্তমানে অভয়নগরে কর্মরত আছেন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা (ব্লক সুপারভাইজার) স্বপংকর মিত্র দীর্ঘদিন ধরে সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের দৌলতদিহিতে কর্মরত ছিলেন। এরই সুবাদে স্বপংকর মিত্রের সাথে কামাল হোসেনের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই সূত্র ধরে কামাল হোসেনকে স্বপংকর মিত্র জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ে তার ভালো যোগাযোগ আছে । ৭ লাখ টাকা দিলে তিনি তার ছেলে জিহাদ হোসেনকে কৃষি মন্ত্রাণালয়ে অফিস সহকারী পদে চাকুরি পাইয়ে দিতে পারবেন। তার কথায় বিশ্বাস করে ২০২৩ সালের ৫ জানুয়ারি কামাল হোসেন ৭ লাখ টাকা দিলে ৬ মাসের মধ্যে ছেলে জিহাদ হোসেনকে চাকরি পাইয়ে দিবেন বলে আশস্ত করেন। ৬ মাস পার হলেও চাকরি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ওই বছরের ২৬ ডিসেম্বর স্বপংকর মিত্র ২৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে টাকা ফেরত দিবেন মর্মে অঙ্গীকারনামা করে দেন। এরই মধ্যে স্বপংকর মিত্র অন্যত্র বদলি হয়ে যান। ফেরত দেননি ৭ লাখ টাকা। চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল স্বপংকর মিত্র যশোরে এলে তার সাথে দেখা করে টাকা ফেরত চাইলে তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করেন।
টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন ।
ধ্রুব/এস.আই