কবিতা
সময় অসময় থমকে দাঁড়ায় রৌদ্রের মাঠে
পকেট ভর্তি নদীর উষ্ণতা নিয়ে
সকাল বিকাল বিশাল আয়তনের মুখোমুখি হই
ভালবাসার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বপ্নের আঙিনায়
রোদেলা দুপুর খাম ছিড়ে বেয়ে চলে খরস্রোত নদীতে
এপাশ ওপাশ রঙিন সুতোই জোড়া হয় জীবনের নৌযান
দিন দিন বৃহৎ হয় অনাদরের ভালোবাসা আর
কাঙালের স্বপ্ন ধর্ষণ।
নিষ্প্রয়োজনের হাটে বয়ে চলা মাঝির স্ত্রী
ঠিকই চন্দ্রের লাল টিপ দিয়েছে বড় বড় করে
রক্তের নেশায় ছড়িয়ে যাচ্ছে জীবনের কাণ্ডারি
একাত্তরের রক্ত জবা সময় শেষ হয়নি
অকট্য শক্তি ধীরে ধীরে আয়তন বেড়ে পার হয়
ওপারের শ্রমশক্তি’র সীমানার মানচিত্র
রক্ত বাজেটে উদাহরণ হয় অজস্র স্বপ্নের স্বরলিপি
স্বেচ্ছাসেবীও যেখানে ফিরে আসে উদাহরণ হতে।
উড়াউড়ি করে পকেটে ভাঁজ করা বিনিয়োগের সূত্র
ভালবাসা মাখামাখি যেখানে সেখানে।
গল্পের পরিসমাপ্তি
ন্যাটোর সদস্য হতে চায় ইউক্রেন
শ্রীলঙ্কায় মানুষের মধ্যে প্রচণ্ড অভাব
নিস্তার মেলেনি করোনা থেকে
প্রকৃততে শান্তি মিলছে না
শব্দ মিলছে না কবিদের লেখায়
আবোল তাবোল যা পারছি
তাই গাইছি ভোর হতে
সময়ের সঙ্গতি অসঙ্গতি ঢের বসেছে
স্বরবর্ণ ও ব্যাঞ্জন বর্ণের ঘাড়ে
নিত্যানন্দের বাজেট থেকে চন্দ্রবিন্দু খসে খসে পড়ছে
আর বলছে, খুব খুব সুন্দর। চমৎকার, বাহ দারুন ইত্যাদি
ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, এক্স, হোয়াটসঅ্যাপ
ভরে ফেলেছে বেসুরের বর্ণ
সকাল না হতে -দিন, তারিখের ব্যাগ
ঝুলিয়ে ঘাড় বেকিয়ে চলছে সপিংমল
আর বড় বড় ক্যামেরার সামনে
বোঝ না আর বোঝ সবই অষ্টধাতুর কবিতা
আংটি পরা গল্পের সমাপ্তি
তুমি থামো, এবারকার মত থামো। আমি আসছি তেমন
বলতে চেয়েও থেমে গেল পাশের বাড়ির বটবৃক্ষ