কবিতা
১.
যদি পেতাম সূত্রগুলি
বানাতাম সেই টাইম ম্যাশিন
আটকে দিতাম ক্ষণটি সেই
ধরেছিলাম তোরই হাত।
বুকের ভীতর উথালপাতাল
দুরু দুরু কাঁপছে সময়
চোখের তারার মধ্যিখানে
ছিল শুধু তোরই হৃদয়।
এখন তুই অন্য চরে
বুকের ভীতর খাঁ খাঁ করে
কেন শুধু এসেছিল
যাবি যদি অন্যঘরে।
বুকের ভীতর উথালপাতাল
দুরু দুরু কাঁপছে সময়
চোখের তারার মধ্যিখানে
ছিল শুধু তোরই হৃদয়। ।
মনটা এখন বাউল হয়ে
আকাশ পাতাল ঘুরে ফেরে
সমাজ বিধির মন্ত্রখানি
নিল শুধু তোকেই কেড়ে।
সাতসুমুদ্রর তের নদী
হেটেছিলাম পদব্রজে
হঠাৎ যেন থমকে গেলাম
হৃদয় ভাংগা শব্দ পেলাম
'মা' 'মা' বলে ছুটে আসা
পরীটাকে দেখতে পেলাম।
পাঁচটি বছর এমনি করে
কেঁটে গেল স্রোতের মতো
ফুটফুটে এই রাজকন্যা
হয়তো বিধি আমার হতো।
হাসছিলি তুই বুকে ধরে
যেমন করে ধরতি আমায়
খুশি হলাম সাজের মাঝে
জোর করে কে কান্না থামায়।
পাঁচটি বছর এমনি করে
কেঁটে গেল স্রোতের মতো
ফুটফুটে এই রাজকন্যা
হয়তো বিধি আমার হতো।
বুকের ভীতর উথালপাতাল
দুরু দুরু কাঁপছে সময়
চোখের তারার মধ্যিখানে
ছিল শুধু তোরই হৃদয়।
২.
মনটা প্রিয় নীলে কেড়ে
সেদিন সেই সকালবেলা
পরে দেখি এসব ফাঁকি
সবই তোমার প্রিয়খেলা।
সেই থেকে রোজ চেয়ে থাকি
এক নিমিষে তোমার পানে
জানিনা ঠিক কি যে হলো
কোন সে যাদু অমোঘ টানে।
ভুলতে কি আর পারি তোমায়
যায় কি ভোলা মেশক ঘ্রাণ
তুমিই ছিলে প্রিয় আমার
তুমি ছিলে সারা-জাহান
তুমিই ছিলে প্রিয় ওগো
তুমিই ছিলে সুখ
আমায় ছেড়ে চলে গেলে
ব্যাথায় ভরে বুক
দু:খগুলো কবিতা বানায়
কবিতা গুলো দুখ।
দু:খগুলো কবিতা বানায়
কবিতা গুলো দুখ
দুটাই আমার প্রিয় যে খুব
অজানা এক সুখ।
দু:খগুলো কবিতা বানায়
কবিতা গুলো দুখ
শত্রু মিত্র; দুটোই তুমি
প্রিয় তোমার মুখ।
৩.
চলো আবার শুরু করি
শুরু যেখান থেকে
নতুন করে অচেনা হয়
নতুন সময় মেখে।
আবার বলি নামটা আমার
দুর্বা ঘাসে বসে
জীবন আবার হোক না শুরু
না হয় অংক কষে।
আবার না হয় যখন-তখন
করো অভিমান
আবার না হয় ভালোবেসে
হাতটা দিয়ো টান।
আবার চলো শুরু হোক
নতুন করে প্রেম
আবার না হয় গায়ে মাখি
মিষ্টি শীতের হেম।
আবার তুমি বলবে আমায়
ধরতে প্রজাপতি
সময় না হয় যাক না ফিরে
থামুক তার গতি
চলো আবার শুরু করি
শুরু যেখান থেকে
নতুন করে অচেনা হয়
নতুন সময় মেখে।