নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে একটি পারিবারিক মামলার ধার্য দিন পরিবর্তন করে একতরফা শুনানির মাধ্যমে ডিক্রি জারির ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে। নির্ধারিত শুনানির তারিখে আদালতে এসে বিবাদীপক্ষ জানতে পারে, আগেই মামলাটিতে একতরফা রায় ও ডিক্রি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ডিক্রি বাতিল করে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করা হয়েছে।
আবেদনটি করা হয়েছে যশোরের পারিবারিক জজ আদালতের ১ম আদালতে। মামলার বাদী সুমি খানম এবং বিবাদী হাসান তারেক বাপ্পী। যার নম্বর ৩৮১/২৬।
বিবাদীপক্ষের করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৯ অক্টোবর মামলাটির একতরফা শুনানির দিন ধার্য ছিল। বিবাদীপক্ষ জানতে পেরে জবাব দাখিল করে মামলাটি মোকাবিলা করতে আদালতে হাজির হয়। কিন্তু আদালতে এসে তারা জানতে পারে, গত ১ অক্টোবরই মামলাটিতে একতরফা শুনানির মাধ্যমে রায় ও ডিক্রি জারি করা হয়েছে। এতে বিবাদীপক্ষ হতবাক ও সংক্ষুব্ধ হয়।
বিবাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাহমিদ আকাশ অভিযোগ করেন, বাদী সুমি খানমের পক্ষ মামলার শুনানির তারিখ পরিবর্তন করে একতরফা রায় ও ডিক্রি করিয়ে নিয়েছে। নির্ধারিত ২৯ অক্টোবরের আগে ১ অক্টোবর কীভাবে একতরফা ডিক্রি জারি হলো, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত তারিখে শুনানি হলে বিবাদী হাসান তারেক বাপ্পী আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পেত।
বিবাদীপক্ষ কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে আদালতে অনুপস্থিত ছিল না। বরং মামলাটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তারা আদালতে হাজির হয়েছিল। তাই ন্যায়বিচারের স্বার্থে গত ১ অক্টোবরের একতরফা রায় ও ডিক্রির আদেশ বাতিল করে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন জানানো হয়েছে। একজন বিচারপ্রার্থীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে একতরফা ডিক্রি দেওয়া হলে তা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় প্রতিকার চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।