Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

বাবার কবরের জায়গা নিয়ে দুই ভাইয়ের সংঘর্ষের পর মাকে বাড়িছাড়া

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট,২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
বাবার কবরের জায়গা নিয়ে দুই ভাইয়ের সংঘর্ষের পর মাকে বাড়িছাড়া

বাবার মরদেহ বাড়ির বারান্দায় রেখে কবরের জায়গা নিয়ে দুই ভাইয়ের সংঘর্ষের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বৃদ্ধা মাকে ভিটেবাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। স্বামীকে হারানোর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন নুরজাহান বেগম। শেষ পর্যন্ত মেয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।

যশোরের কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনা ইউনিয়নের সন্যাসগাছা গ্রামে এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে নুরজাহান বেগমের স্বামী আব্দুল খালেক মানের মরদেহ বাড়ির বারান্দায় রাখা ছিল। স্বজনরা যখন দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন বাবার কবরের জায়গা দেওয়া নিয়ে দুই ছেলে মাহাবুর রহমান ও আসাবুর রহমানের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে তাঁরা স্বজনদের নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

এর মধ্যেই বৃদ্ধা নুরজাহানকে ভিটেবাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। স্বামী হারানোর শোকের মধ্যেই বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়ে তিনি আশ্রয় নেন মেয়ে নাছিমা বেগমের বাড়িতে। বর্তমানে পাঁজিয়া ইউনিয়নের গড়ভাঙ্গা গ্রামে মেয়ের বাড়িতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার মেয়েজামাই নজরুল ইসলাম। ওই বাড়িটি নুরজাহানের নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে।

নুরজাহানের অভিযোগ, ছেলেরা তাকে বাড়িতে ঢুকতে দিচ্ছেন না, এমনকি খাবারও দিচ্ছেন না। তার এ বক্তব্যের ২৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও মঙ্গলবার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন আইডিতে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ থাকলেও বাবা-মায়ের মরদেহ ও বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।

বৃদ্ধা নুরজাহানের অভিযোগের বিষয়ে জানতে সরেজমিন মাহাবুর রহমান ও আসাবুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে তাদের পাওয়া যায়নি।

আসাবুরের ছেলে আল আমিন বলেন, ‘চিকিৎসার জন্য আমার বাবা বাইরে আছেন। বড় চাচা মামলা করেছেন শুনে বাড়িতে আসেননি।’ তবে তাঁর দাদি কোথায় আছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারেননি।

গৌরীঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের সন্যাসগাছা ওয়ার্ডের সদস্য পংকজ চক্রবর্তী বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খাতুন বলেন, সন্যাসগাছার ঘটনায় মাকে বাড়িতে ঢুকতে না দেওয়ার বিষয়টি তিনি জানেন না। তবে ওই নারী অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংঘর্ষের ঘটনায় আহত মাহাবুর রহমান থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)