Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

❒ চব্বিশের অভ্যুত্থান ও আজকের মূল্যায়ন

প্রশ্নের ভেতরেই ভবিষ্যতের পথরেখা

খবির শিকদার খবির শিকদার
প্রকাশ : বুধবার, ৫ আগস্ট,২০২৬, ১২:১৪ এ এম
প্রশ্নের ভেতরেই ভবিষ্যতের পথরেখা

তিহাস কেবল ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতা নয়। ইতিহাস হলো জনগণের জীবন, শ্রম, বঞ্চনা, প্রতিরোধ ও স্বপ্নের সমষ্টি। কোনো ঐতিহাসিক গণআন্দোলনকে বুঝতে হলে তাই শুধু কে জয়ী হলো, কে ক্ষমতায় গেল কিংবা কোন সরকার পতন হলো—এই প্রশ্ন যথেষ্ট নয়। আরও গভীরে গিয়ে জানতে হয়, আন্দোলনের সামাজিক ভিত্তি কোথায় ছিল, জনগণের আকাঙ্ক্ষা কী ছিল, কোন শ্রেণি ও জনগোষ্ঠী সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিল এবং সেই আন্দোলন ভবিষ্যতের জন্য কী রাজনৈতিক শিক্ষা রেখে গেছে।

২০২৪ সালের গণআন্দোলনকে বাংলাদেশের মাওপন্থী রাজনৈতিক ধারার দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করতে গেলে এই জায়গাটিই গুরুত্বপূর্ণ।
চব্বিশ ছিল জনগণের দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ, বৈষম্যের অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক অধিকারহীনতা, রাষ্ট্রীয় দমন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে তরুণ সমাজের উদ্বেগের এক বিস্ফোরণ। এর কেন্দ্রভাগে ছিল ছাত্র-তরুণদের শক্তিশালী অংশগ্রহণ। কিন্তু আন্দোলনের বিস্তার ঘটার সঙ্গে সঙ্গে এটি বৃহত্তর জনগণের ক্ষোভ ও আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি ব্যাপক গণআন্দোলনের রূপ নেয়।  এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

তবে এটিকে মূল্যায়নের সময় দুটি ভুল থেকে আমাদের দূরে থাকতে হবে।
একদিকে চব্বিশের গণআন্দোলনকে কেবল একটি প্রশাসনিক বা চাকরির দাবির আন্দোলন হিসেবে ছোট করে দেখা যাবে না।
অন্যদিকে এটিকে এমন একটি সম্পূর্ণ সামাজিক বিপ্লব হিসেবে চিহ্নিত করাও ঠিক হবে না, যার ফলে সমাজের শ্রেণিগত ও অর্থনৈতিক ভিত্তি ইতিমধ্যেই বদলে গেছে।
বরং এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের অভিজ্ঞতা, যা পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোর সংকটকে প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।


গণলাইন: জনগণই রাজনীতির উৎস

মাওপন্থী রাজনীতির একটি মৌলিক শিক্ষা হলো—জনগণের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং সেই শিক্ষাকে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দিয়ে আবার জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।
এটি শুধু একটি সাংগঠনিক পদ্ধতি নয়; এটি রাজনীতিকে জনগণের বাস্তব জীবন ও সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত করার একটি পদ্ধতি।
চব্বিশের অভিজ্ঞতা এই গণলাইনের প্রয়োজনীয়তাকে নতুন করে সামনে এনেছে।
কারণ আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক দলের অফিসে বসে তৈরি হয়নি। আন্দোলনের শক্তি এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, রাস্তা, মহল্লা, পরিবার এবং সাধারণ মানুষের জীবন থেকে। মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা, ক্ষোভ ও আকাঙ্ক্ষাই আন্দোলনের শক্তি তৈরি করেছে। এখানে মাওপন্থী রাজনীতির জন্য বড় শিক্ষা হলো—জনগণকে শুধু বিপ্লবের সমর্থক হিসেবে দেখলে চলবে না; জনগণকেই রাজনৈতিক পরিবর্তনের সক্রিয় নির্মাতা হিসেবে দেখতে হবে। জনগণের কথা জনগণের কাছ থেকে শুনতে হবে। তাদের সমস্যা নিজেদের ভাষায় বুঝতে হবে। তাদের অভিজ্ঞতাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ভিত্তি করতে হবে। তারপর সেই অভিজ্ঞতার মধ্য থেকে যে সাধারণ রাজনৈতিক শিক্ষা ও কর্মসূচি বেরিয়ে আসে, তা আবার জনগণের মধ্যেই নিয়ে যেতে হবে। এটাই গণলাইনের প্রাণ।

বৈষম্য: শুধু চাকরি নয়, শ্রেণির প্রশ্ন

চব্বিশের আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শব্দ ছিল বৈষম্য। কিন্তু আজ প্রশ্ন হলো—বৈষম্য বলতে আমরা কী বুঝব? শুধু চাকরিতে সুযোগের বৈষম্য? নাকি জমির মালিকানা, উৎপাদনের উপকরণ, সম্পদ, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান, মজুরি এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার বৈষম্যও এর অন্তর্ভুক্ত? একজন কৃষক সারাবছর শ্রম দিয়ে ফসল উৎপাদন করেন, কিন্তু বাজারে ন্যায্য দাম পান না। একজন শ্রমিক তার শ্রম দিয়ে সম্পদ সৃষ্টি করেন, কিন্তু সেই সম্পদের তুলনায় তার আয় ও জীবনযাত্রা কতটা নিরাপদ? একজন তরুণ বছরের পর বছর শিক্ষা গ্রহণ করেও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা পান না। এই বাস্তবতাগুলোকে বাদ দিয়ে বৈষম্যের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা সম্ভব নয়।
মাওপন্থী রাজনৈতিক বিশ্লেষণ তাই বৈষম্যকে কেবল প্রশাসনিক সমস্যা হিসেবে দেখে না; এর অর্থনৈতিক ও শ্রেণিগত ভিত্তিও অনুসন্ধান করে। তবে এর অর্থ এই নয় যে প্রতিটি সামাজিক সমস্যাকে একই ছাঁচে ব্যাখ্যা করতে হবে। বাংলাদেশের বাস্তবতা, ইতিহাস, অর্থনীতি, কৃষি, শ্রমবাজার, রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং জনগণের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে নির্দিষ্ট বিশ্লেষণ তৈরি করতে হবে।

রাষ্ট্র পরিবর্তনের প্রশ্ন

চব্বিশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শিক্ষা হলো—জনগণের সম্মিলিত শক্তি রাষ্ট্রের ক্ষমতার কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।
কিন্তু সরকার পরিবর্তন এবং সমাজ পরিবর্তন এক বিষয় নয়।
একটি সরকারের পতনের পরেও যদি একই অর্থনৈতিক বৈষম্য, একই আমলাতান্ত্রিক সংস্কৃতি, একই দুর্নীতি, একই ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ এবং জনগণের সীমিত রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বজায় থাকে, তাহলে মানুষের মৌলিক আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয় না।
তাই মাওপন্থী রাজনৈতিক মূল্যায়নের প্রশ্ন হবে— রাষ্ট্রের চরিত্র কীভাবে পরিবর্তিত হবে? জনগণ কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রকৃত অংশীদার হবে? কৃষক ও শ্রমিক কীভাবে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ সংগঠিত করবে? তরুণ প্রজন্ম কীভাবে কেবল আন্দোলনের শক্তি নয়, ভবিষ্যৎ নির্মাণের শক্তিতে পরিণত হবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কেবল স্লোগানে নয়; বাস্তব রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সংগঠনের মধ্য দিয়ে খুঁজে নিতে হবে।

জনগণের কাছ থেকে শেখার অর্থ কী?

গণলাইন মানে জনগণের প্রতিটি মতকে প্রশ্নাতীত সত্য হিসেবে গ্রহণ করা নয়। জনগণের কাছ থেকে শেখা মানে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, আকাঙ্ক্ষা, সমস্যা ও সংগ্রামকে গভীরভাবে বোঝা; সেই অভিজ্ঞতার মধ্যে থেকে সাধারণ রাজনৈতিক সত্য খুঁজে বের করা; তারপর তা সংগঠিত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দেওয়া। আবার সেই কর্মসূচি জনগণের কাছে নিয়ে গিয়ে বাস্তব সংগ্রামের মাধ্যমে যাচাই করা। অর্থাৎ—
জনগণ → অভিজ্ঞতা → রাজনৈতিক বিশ্লেষণ → কর্মসূচি → জনগণের সংগ্রাম → পুনর্মূল্যায়ন।
এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়াই গণলাইনকে জীবন্ত রাখে।

বাংলাদেশের মাওপন্থীদের জন্য আত্মসমালোচনা

চব্বিশের গণআন্দোলন শুধু রাষ্ট্র ও শাসকশ্রেণির সামনে প্রশ্ন রাখেনি; বাংলাদেশের মাওপন্থী ও বিপ্লবী বাম রাজনীতির সামনেও প্রশ্ন রেখেছে। আমরা কি জনগণের মধ্যে যথেষ্ট গভীরে যেতে পেরেছি? আমাদের রাজনৈতিক ভাষা কি সাধারণ মানুষের কাছে যথেষ্ট সহজ ও গ্রহণযোগ্য? আমাদের সংগঠনগুলো কি জনগণের নিজস্ব নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ তৈরি করেছে? আমরা কি ছাত্র-যুব আন্দোলনকে কৃষক-শ্রমিকের সংগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয়ভাবে যুক্ত করতে পেরেছি? আমাদের পারস্পরিক মতপার্থক্য কি কখনো কখনো বৃহত্তর গণস্বার্থের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে আত্মসম্মান হারিয়ে নয়, বরং বিপ্লবী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। আত্মসমালোচনা দুর্বলতার লক্ষণ নয়। নিজের ভুল সংশোধন করার ক্ষমতাই বিপ্লবী রাজনীতির শক্তি। অতীতের সংগ্রামী ঐতিহ্যকে সম্মান করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সেই ঐতিহ্যকে জীবন্ত রাখা এবং নতুন বাস্তবতার আলোকে তার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া। 

ঐক্য, বিতর্ক ও সংগ্রাম

চব্বিশের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে—বিভিন্ন মত ও অবস্থানের মানুষ একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক প্রশ্নে একত্রিত হতে পারে।
এই ঐক্যকে স্থায়ী রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত করতে হলে মতপার্থক্যকে শত্রুতায় পরিণত করা যাবে না।
মাওপন্থী রাজনীতির জন্য এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে—নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে দৃঢ় থাকা এবং একই সঙ্গে জনগণের বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার সক্ষমতা অর্জন করা।  ঐক্য মানে নীতিহীন সমঝোতা নয়। আবার মতপার্থক্য মানে পরস্পরকে রাজনৈতিকভাবে বাতিল করে দেওয়া নয়। গঠনমূলক বিতর্ক, বাস্তব সংগ্রাম এবং জনগণের স্বার্থের ভিত্তিতে ঐক্য—এই পথেই রাজনৈতিক শক্তি বিকশিত হতে পারে।

ছাত্র-যুব আন্দোলন থেকে জনগণের আন্দোলন

চব্বিশের অন্যতম শক্তি ছিল তরুণ প্রজন্ম।  কিন্তু তরুণদের আন্দোলনকে শুধু তরুণদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে তার ঐতিহাসিক সম্ভাবনা কমে যায়।একজন ছাত্রের ভবিষ্যৎ যেমন শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত, তেমনি তার ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান, অর্থনীতি ও সামাজিক কাঠামোর সঙ্গেও যুক্ত। তাই ছাত্র-যুব আন্দোলনের সঙ্গে কৃষক-শ্রমিকের সংগ্রামের সম্পর্ক তৈরি করা একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কাজ। শিক্ষার অধিকার এবং শ্রমের অধিকারকে আলাদা করে দেখলে চলবে না। বেকারত্বের প্রশ্নকে অর্থনৈতিক কাঠামোর প্রশ্ন থেকে আলাদা করা যাবে না। কৃষকের সংকটকে জাতীয় অর্থনীতির প্রশ্ন থেকে আলাদা করা যাবে না। এই সংযোগগুলো তৈরি করাই আন্দোলনকে গভীরতর গণভিত্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে।

লেখকের আরও লেখা পড়ুন-

পহেলা মে: ইতিহাস, সংগ্রাম এবং বাংলাদেশের শ্রমিক শ্রেণির করণীয় পহেলা মে: ইতিহাস, সংগ্রাম এবং বাংলাদেশের শ্রমিক শ্রেণির করণীয়

নতুন জুলাইয়ের শিক্ষা

আজ আরেকটি জুলাই আমাদের সামনে। এই জুলাই শুধু স্মৃতির নয়; মূল্যায়নেরও। আমাদের জানতে হবে—চব্বিশের পর জনগণের জীবন কতটা বদলেছে? কৃষকের অবস্থার কী পরিবর্তন হয়েছে?শ্রমিকের জীবন কতটা নিরাপদ হয়েছে?
তরুণদের ভবিষ্যৎ কতটা নিশ্চিত হয়েছে? রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা জবাবদিহিমূলক হয়েছে?
মানুষ কতটা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছে? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—জনগণ কি নিজের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আগের চেয়ে বেশি রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করেছে? এসব প্রশ্নের উত্তর হয়তো একদিনে পাওয়া যাবে না। কিন্তু প্রশ্ন করা বন্ধ করা যাবে না। 
কারণ প্রশ্নহীন রাজনীতি শেষ পর্যন্ত জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। শেষ কথা: জনগণই ইতিহাসের শক্তি চব্বিশের গণআন্দোলনের প্রতি প্রকৃত সম্মান দেখানোর অর্থ শুধু শহীদদের স্মরণ করা নয়; তাদের স্বপ্নের রাজনৈতিক ও সামাজিক অর্থ বোঝার চেষ্টা করা। এই আন্দোলন আমাদের দেখিয়েছে—জনগণকে দীর্ঘদিন নীরব রাখা গেলেও চিরদিন নীরব রাখা যায় না।
কিন্তু গণআন্দোলনের শক্তিকে স্থায়ী পরিবর্তনে রূপ দিতে হলে প্রয়োজন সংগঠিত জনগণ, রাজনৈতিক শিক্ষা, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি, কৃষক-শ্রমিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং বাস্তব জীবন থেকে উঠে আসা কর্মসূচি। বাংলাদেশের মাওপন্থী রাজনৈতিক ধারার সামনে তাই আজকের কাজ শুধু অতীতের গৌরব স্মরণ করা নয়; নিজেদেরও নতুন করে জনগণের কাছে নিয়ে যাওয়া। জনগণের কাছ থেকে শেখা। জনগণের সংগ্রামে থাকা। জনগণের অভিজ্ঞতা থেকে কর্মসূচি তৈরি করা। আবার সেই কর্মসূচি জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া। 

এই ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়েই গণলাইন জীবন্ত হতে পারে। জুলাই আমাদের একটি ঐতিহাসিক শিক্ষা দিয়েছে—
পরিবর্তনের শক্তি জনগণের মধ্যেই আছে। সেই শক্তিকে কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি না বানিয়ে জনগণের সম্মিলিত রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। চব্বিশ তাই শেষ হয়ে যাওয়া কোনো অধ্যায় নয়।
এটি একটি চলমান প্রশ্ন। 

আর সেই প্রশ্নের উত্তর লিখবে জনগণ—তাদের সংগ্রাম, সংগঠন, ঐক্য ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের মধ্য দিয়ে।


লেখক: রাজনীতিক

(মতামত লেখকের নিজস্ব)

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)