❒ জুলাই আন্দোলনে হামলা মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
পতিত হাসিনা আমলের কেশবপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আজিজুল ইসলাম। ছবি: ধ্রুব নিউজ
২৪ এর জুলাইয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে হামলা চালিয়ে সমন্বয়কসহ কয়েকজনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা চেষ্টার মামলায় কেশবপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আজিজুল ইসলামসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৫৪ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হেলাল উজ্জামান।
মামলার অভিযুক্ত আসামিরা হলেন, কাউন্সিলর কবির হোসেন ওরফে জিএম কবির, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য টিপু সুলতান, এমপি আজিজুরের ভাই খন্দকার শরিফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সৌরভ হোসেন ওরফে ফেরদৌস কবীর সৌরভ, মেহেদী হাসান ওরফে হাসান, শ্রীকান্ত দাস, তানজিম, মো. তরিকুল ইসলাম, ইস্কান্দার ইসলাম ওরফে পারভেজ, তরিকুল ইসলাম দপ্তরী, আফরাজুর রহমান তুষার, নাহমাহদুল আশিক, পারভেজ মোশারেফ, এমপির একান্ত সহকারি প্রশান্ত সাহা, সুজন দাস, মারুফ হোসেন ওরফে মারুফ ইসলাম সাগর, তুহিন রেজা ওরফে সাগর হোসেন তুহিন, শাহীন আলম, জাহাঙ্গীর ফকির, মহিউদ্দিন খান আলমগীর, মহিবুল হাসান, আইয়ুব হোসেন মিলন, শেখ আল আলাল, হাবিবুর রহমান, শাহাদাৎ হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম, জামাল হোসেন শেখ, রবিউল ইসলাম রবি, সুজন হোসেন, মাসুম বিল্লাহ, মনিরুজ্জামান জিকু ওরফে মনিরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, হারুর অর রশিদ, সাগর পাল, দেলোয়ার হোসেন রকি, রাকিবুল ইসলাম জিসান, মুত্তাসিম বিল্লাহ, শাহিন রেজা লিখন, মহিবুর রশিদ ওরফে আব্দুর রশিদ, রুস্তম আলী খান, আব্দুর রহিম, গোলাম রসুল ওরফে আলিফ উদ্দিন, গৌতম রায়, হাবিবুর রহমান খান মুকুল, মেহেরাব হোসেন স্বাধীন, শফিকুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির টিনু, মফিজুর রহমান, হোসেন আলী, রবিউল ইসলাম, খালিদ হাসান ও বিএম শহীদুজ্জামান বিশ্বাস।
ভয়ার্ত চোর-পুলিশ জীবন : ১৪ বসন্তে কেটেছে নির্ঘুম রাত
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষার্থীরা কেশবপুর কলেজ মাঠে আসতে থাকেন। এ সময় তৎকালীন এমপি খন্দকার আজিজুল ইসলামের নির্দেশে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তার সহযোগীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলাকারীরা কেশবপুর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মিরাজুল ইসলাম, আব্দুল হালিম অটল, সাহেদ আলী, মাছুম, মিরাজ ও পলাশকে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাতে জখম করে। আহতদের প্রথমে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র পরে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আজিজুল ইসলামসহ ২০ জনের নাম উল্লেখ করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় মামলা করেন । মামলা তদন্ত শেষ ঘটনা সাথে জড়িত থাকায় ওই ৫৪ জন কে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। মামলার তদন্তকালে জামির হোসেন ওরফে শেখ জামিরুল ইসলাম মারা যাওয়ায় তার অব্যহতির আবেদন জানানো হয়েছে চার্জশিটে।
ধ্রুব/এস.আই