নিজস্ব প্রতিবেদক
জাল সনদে চাকরির অভিযোগে করা মামলায় শার্শা উপজেলার চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিনজন সহকারী শিক্ষক ও কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানসহ চারজনের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী রুহিন বালুজ।
আসামিরা হলেন, চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষিকা (কৃষি) সালেহা খাতুন, সহকারী শিক্ষক (বিপিএড) ইদ্রিস আলী এবং কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকুর সহযোগিতায় তারা সহকারী শিক্ষক পদে চাকরিতে যোগদান করেন। কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারেন এবং ২০১৫ সালে মামলা করেন। আসামি টিংকু ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ায় রাজনৈতিক প্রভাবে দীর্ঘদিন মামলা পরিচালনায় বাধা দেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর বাদী পুনরায় মামলাটি সচল করেন।
তদন্ত শেষে সিআইডি পুলিশ যশোরের এসআই বখতিয়ার রহমান ওই তিন শিক্ষকের সনদপত্র জাল ও সাবেক চেয়ারম্যানের সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়ায় আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের প্রতি সমন জারির আদেশ দেন।