Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

চিকেনস নেক- এ চতূর্থ রেললাইন তৈরি করবে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট,২০২৬, ১২:৩১ এ এম
চিকেনস নেক- এ চতূর্থ রেললাইন তৈরি করবে ভারত

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সড়ক ও রেল যোগাযোগ ধরে রাখা কৌশলগত ভূখণ্ড ‘চিকেনস নেক’ বা শিলিগুড়ি করিডোরে যাতায়াতব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। করিডোরটির অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়াতে এবার চতুর্থ রেললাইন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের (এনএফআর) জেনারেল ম্যানেজার চেতন কুমার শ্রীবাস্তব।

​সংবাদ সম্মেলনে শ্রীবাস্তব জানান, উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ অক্ষুণ্ন রাখার ক্ষেত্রে মালদা-নিউ জলপাইগুড়ি রেল রুটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ অঞ্চলের কৌশলগত তাৎপর্য বিবেচনায় রেখেই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ধারণক্ষমতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে অনুমোদন পাওয়া তৃতীয় লাইনের পাশাপাশি চতুর্থ রেললাইনটি যুক্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া পরিকাঠামোগত সুরক্ষার বিষয় মাথায় রেখে তিনমাই ঘাট থেকে বাগডোগরা পর্যন্ত প্রায় ২৯ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি দ্বিমুখী ভূগর্ভস্থ (আন্ডারগ্রাউন্ড) রেললাইন নির্মাণের মহা পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।

​ভৌগোলিক দিক থেকে ভারতের উত্তরবঙ্গের মাত্র ২০ থেকে ২২ কিলোমিটার চওড়া এবং ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সংকীর্ণ ভূখণ্ডটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর। এই একমাত্র করিডোর দিয়েই ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্য সংযুক্ত রয়েছে। এনএফআর কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট পুরো রেল নেটওয়ার্কে আমূল পরিবর্তন আসবে এবং এই অঞ্চলে সার্বিক অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত বিকাশ আরও গতিশীল হবে।

​বর্তমানে ক্রমবর্ধমান যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের বিপুল চাহিদা মেটাতে বারসোই সেকশনে লাইন দ্বিগুণ করার জোরালো কাজ চলছে। পাশাপাশি কাটিহার বিভাগজুড়ে অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

​রেলওয়ের সাম্প্রতিক অগ্রগতি তুলে ধরে এনএফআরের শীর্ষ এই কর্মকর্তা জানান, যাত্রীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে বিগত এক বছরে বিভিন্ন রুটে নতুন ৪২টি ট্রেন চালুর পাশাপাশি প্রায় ২৫০টি নতুন স্টপেজ যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশন আধুনিকায়নের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে, যা ২০২৭ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

​সীমান্তবর্তী ও দুর্গম এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াত সহজ করতে দ্রুতই যোগবানী, রাধিকাপুর এবং বালুরঘাট রুট থেকে নতুন লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালুর কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে এনএফআর রেল নেটওয়ার্কের শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে এবং খুব শিগগির বৈদ্যুতিক ট্রেনের পরিধি আরও বাড়ানো হবে। দূরপাল্লার দ্রুতগামী ভ্রমণের অংশ হিসেবে গুয়াহাটি ছাড়িয়ে তিনসুকিয়া ও আগরতলা পর্যন্ত উভয়মুখী 'বন্দে ভারত' এক্সপ্রেস চালুর যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটবে বলে জানিয়েছেন চেতন কুমার শ্রীবাস্তব।

​তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)