Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

বেনাপোলে দীর্ঘ ছুটি শেষে বাণিজ্য শুরু, সার্ভার জটিলতায় প্রথম দিনেই ভোগান্তি

ধ্রুব নিউজ ডেস্ক ধ্রুব নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : রবিবার, ২৫ অক্টোবর,২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
বেনাপোলে দীর্ঘ ছুটি শেষে বাণিজ্য শুরু, সার্ভার জটিলতায় প্রথম দিনেই ভোগান্তি

ছবি: সংগৃহীত

টানা আট দিনের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে সচল হয়েছে দেশের বৃহত্তম বেনাপোল স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। তবে কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিনেই সার্ভার জটিলতা এবং ওপারের কাস্টমস কর্মকর্তাদের ধীরগতির কারণে বাণিজ্যে বড় ধরনের স্থবিরতা দেখা দেয়। এর ফলে দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় তীব্র পণ্যজটের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা।

​শনিবার (২৪ অক্টোবর) সীমিত পরিসরে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কিছু পচনশীল পণ্য খালাস করা হলেও রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুর পর্যন্ত অনলাইন ভিত্তিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ ছিল। অবশেষে দুপুর ১২টার পর সার্ভার সচল হলে বন্দরে কিছুটা গতি ফিরে আসে। এরপর মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে (দুপুর ৩টা পর্যন্ত) ভারত থেকে ৭৬টি ট্রাকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে ৪১টি ট্রাকে পণ্য রপ্তানি করা হয়।

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে গত ১৭ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের নিয়মিত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল।

​ছুটি শেষে রোববার সকালে কাস্টমস ও বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজে যোগ দিলেও অনলাইন সার্ভারের জটিলতা এবং ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের দায়িত্বে থাকা নির্দিষ্ট কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়ীরা।

​বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামছুর রহমান এবং স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি বলেন, ‘দীর্ঘ ছুটির প্রভাবে সীমান্তের উভয় পাশে শত শত ট্রাক আটকা পড়ে তীব্র পণ্যজটের সৃষ্টি হয়েছে। দুপুরের পর সার্ভার সচল হওয়ায় কাস্টমস কর্মকর্তা ও প্রায় দুই হাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিক দ্রুত পণ্য খালাসে কাজ করছেন। কিন্তু বারবার সার্ভার ডাউন হওয়ার এই স্থায়ী সমস্যা সমাধান না হলে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।’

​সার্বিক বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) মো. রুহুল আমিন এবং কাস্টম হাউসের কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা রোমেন মিত্র জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটি শেষেই বন্দরের বাণিজ্য কার্যক্রম চালুর সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। সার্ভার জটিলতার কারণে শুরুতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও পরবর্তীতে তা সমাধান করা হয় এবং ব্যবসায়ীদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।

​ব্যবসায়ী মহলের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সার্ভার ব্যবস্থার স্থায়ী উন্নয়ন ঘটালে এবং ওপার থেকে কাস্টমস ক্লিয়ারিং প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হলে বেনাপোল বন্দরে বাণিজ্যের পুরোনো গতি ও স্বস্তি ফিরে আসবে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)