Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

চাকরির প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে পাচার, আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর,২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর,২০২৬, ০৮:০৯ পিএম
চাকরির প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে পাচার, আটক ২

ছবি: ধ্রুব নিউজ

যশোরের অভয়নগরে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় পাচারের অভিযোগে পিতা ও ছেলেকে আটক এবং পাচার হওয়া ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলো নড়াইল কালিয়া থানার খড়রিয়া গ্রামের রাতুল শেখ ও তার পিতা তাজউদ্দিন। বৃহস্পতিবার যশোর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানা গেছে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, পাচারের শিকার ছাত্রী খুলনার শিরোমণির জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণিতে পড়ে। ১৬-১৭ দিন আগে নদী পারাপারের সময় ছাত্রীর সঙ্গে আসামি রাতুল শেখের পরিচয় হয়। রাতুল তাকে মাসে এক লাখ টাকার বেশি আয়ের কাজের প্রলোভন দেখায়। পরে রাতুল ও অপর আসামি মুজাহিদ বিভিন্নভাবে তাকে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে অন্যত্র যেতে উদ্বুদ্ধ করে। একপর্যায়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টা থেকে আড়াইটার মধ্যে নলামারা গ্রামে বাড়ির সামনের সড়ক থেকে মোটরসাইকেলে করে তাকে নিয়ে যায় আসামিরা।   

পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে অভয়নগর থানায় নিখোঁজের জিডি করেন। পরে রাতুলের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ জানতে পারে পরিবারের সদস্যরা। রাতুলের পরিবার অপহৃত ছাত্রীকে ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করায় তার মা বাদী হয়ে রাতুল, তার পিতা ও বোনসহ ছয়জনকে আসামি করে অভয়নগর থানায় মামলা করেন।   

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই ছাত্রীকে অপহরণের পর খুলনার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে বাসে ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে আসিফ নামের এক ব্যক্তি তাকে গ্রহণ করে অপরিচিত স্থানের একটি দোতলা বাড়ির কক্ষে আটকে রাখে। ওই কক্ষে অপহৃত ছাত্রীসহ পাঁচজন মেয়েকে রাখা হয়েছিল। একজন নারী তাদের পাহারা দিতেন। কথা বলার চেষ্টা করলে ওই নারী তাদের মারধর করতেন বলে অপহৃত ছাত্রী পুলিশকে জানিয়েছে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে খাবার পর সবাই ঘুমিয়ে পড়লে কৌশলে পালিয়ে আসে ওই ছাত্রী। পরে গুলিস্তানের একটি বাস কাউন্টার থেকে ‘টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস’-এর অফিসের ফোন ব্যবহার করে তার বোনের সাথে যোগাযোগ করে। বিষয়টি জানার পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে খুলনায় আনার ব্যবস্থা করেন। ওই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে সোনাডাঙ্গা বাস কাউন্টারে পৌঁছালে নারী পুলিশের সহায়তায় তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

গতকাল আটক দুইজনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)