নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: সংগৃহীত
যশোরের ৩য় যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একটি রায় নিয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মামলাটি অন্য আদালতে বদলি হওয়ার পরও রায় দেওয়ার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট বিচারকের কাছে ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। এছাড়া এই মামলায় এক বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছে আদালত।
বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি এ. কে. এম. রাবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, একটি চেক ডিজঅনার মামলায় যশোরের ব্যবসায়ী ও নজরুল অ্যান্ড ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী মো. নজরুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে এক বছরের কারাদণ্ড এবং চেকের সমপরিমাণ অর্থ জরিমানা করেন বিচারক। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ফৌজদারি বিবিধ মামলা দায়ের করা হলে আদালত জরিমানার অর্থ আদায় স্থগিত করেন এবং রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মো. নজরুল ইসলামের এক বছরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে নিম্ন আদালতের দেওয়া ওই দণ্ডাদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়।
হাইকোর্টের আদেশে উল্লেখ করা হয়, মামলাটি ইতোমধ্যে অন্য আদালতে বদলি হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিচারকের নজরে আনার পরও তিনি রায় প্রদান করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে, যা বিচারিক এখতিয়ার ও বিচারিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
এই কারণে যশোরের ৩য় যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এম. রাশেদুর রহমানকে আদেশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা না দিলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।