ক্রীড়া ডেস্ক
কিলিয়ান এমবাপ্পে ছবি: সংগৃহীত
কিলিয়ান এমবাপ্পে—ফুটবল মাঠের এক অপ্রতিরোধ্য নাম। তার গতি, ক্ষিপ্রতা আর গোল করার জাদুতে মুগ্ধ পুরো বিশ্ব। তবে এবার সবুজ গালিচা নয়, বরং ফ্রান্সের রাজনীতির সর্বোচ্চ মসনদে বসার এক চাঞ্চল্যকর ইঙ্গিত দিয়ে খবরের শিরোনামে উঠে এলেন এই ফরাসি সুপারস্টার। ক্যারিয়ার শেষে কোচিং বা ধারাভাষ্যে নয়, বরং সরাসরি ফরাসি রাজনীতির শীর্ষ পদ, অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে নামার কথা জানালেন এমবাপ্পে।
জনপ্রিয় ফুটবল প্ল্যাটফর্ম 'ওহ মাই গোল'-এর বরাত দিয়ে ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক খবরে এমবাপ্পের একটি চমকপ্রদ মন্তব্য প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, "আমার দলের খেলোয়াড়েরা বলছে, ফুটবল থেকে অবসরের পর আমার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা উচিত।" এই একটি মন্তব্যেই ক্রীড়াবিশ্বে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে রাজনীতিতে নাম লেখানোর ইতিহাস বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে অবশ্য নতুন নয়। লাইবেরিয়ার জর্জ উইয়াহ কিংবা পাকিস্তানের ইমরান খানের মতো তারকারা মাঠ দাপিয়ে পরবর্তীতে নিজেদের দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছেন। এমবাপ্পে যদি সত্যিই এই পথে হাঁটেন, তবে তিনি সেই অভিজাত তালিকায় নিজের নাম লেখাবেন। ফ্রান্সের আপামর জনসাধারণের কাছে এমবাপ্পে শুধু একজন ফুটবলারই নন, বরং একজন জাতীয় বীর। বিশ্বকাপ জয় থেকে শুরু করে দেশের ফুটবলে তার অবদান তাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তার মতো একজন আইকন যদি রাজনীতিতে আসেন, তবে তা ফ্রান্সের রাজনীতি ও তরুণ প্রজন্মের মাঝে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
আপাতত এমবাপ্পের পুরো মনোযোগ ফুটবলেই নিবদ্ধ। তবে বুট জোড়া তুলে রাখার পর তিনি সত্যিই এলিসি প্রাসাদের বাসিন্দা হওয়ার জন্য নির্বাচনী ময়দানে নামবেন কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে আপাতত তার এই দুঃসাহসিক মন্তব্য অগণিত ভক্ত ও ক্রীড়াপ্রেমীদের মনে এক নতুন উন্মাদনার জন্ম দিয়েছে।