ক্রীড়া ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
যৌথভাবে ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। স্বাগতিক মেক্সিকো মাঠে নেমেছে। জয়ও তুলে নিয়েছে। এবার মাঠে নামছে আরেক আয়োজক দেশ কানাডা। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ইউরোপিয়ান অঞ্চল থেকে আসা বসনিয়া ও হার্জেগোবিনা।
আজ শুক্রবার (১২ জুন) দিনগত রাত ১টায় ‘বি’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে কানাডা এবং বসনিয়া ও হার্জেগোবিনা। বাংলাপদেশে ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি, টি-স্পোর্টস ও সময় টিভি। অনলাইনে দেখা যাবে টফি, বায়োস্কোপ প্লাস, আই-স্ক্রিণ, মাই রবি ও মাই এয়ারটেল অ্যাপে।
চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি। ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বাছাইপর্বে সেই ইতালিকেই হারিয়েছে বসনিয়া ও হার্জেগোবিনা। প্লে-অফ কোয়ালিফায়ার খেলে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে তারা। তাই কানাডার জন্য যে ম্যাচটি মোটেও সহজ হবে না সেটি অনুমেয়।
বসনিয়া হার্জেগোবিনার মাত্র দ্বিতীয় বিশ্বকাপ এটি। এর আগে ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছিল তারা। বিশ্ব মঞ্চে এর আগে কখনোই মুখোমুখি হয়নি এই দুই দল। তাই পরিসংখ্যানে কাউকে এগিয়ে রাখার সুযোগ নাই।
বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে মাঠে নামার আগে দলীয় প্রস্তুতি নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী কানাডার কোচ জেসি মার্শ। ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় চাপ নিতে চান না তিনি। একই সঙ্গে খেলোয়াড়দেরও চাপমুক্ত রাখতে চান। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের আগে আমি স্নায়ুচাপে ভুগব বলে মনে হয় না। কোচ হিসেবে আমার প্রধান কাজ হলো খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে এমনভাবে প্রস্তুত করা, যাতে তারা মাঠে নেমে কোনো চাপ ছাড়া স্বাধীনভাবে খেলতে পারে। প্রত্যেকে যেন মাঠে নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকে এবং স্বাভাবিক খেলাটা উপহার দেয়।’
ইতালিকে বিদায় করে ইতিহাস গড়া বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কোচ সের্গেই বারবারেস নিজেদের শক্তির জায়গা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে বেশ বাস্তববাদী। নিজেদেরকে আন্ডারডগ মনে করলেও কোনো ছাড় দিতে রাজি নয় তিনি। বিশ্বমঞ্চে চমক দেখাতে মুখিয়ে আছেন ইতিহাস গড়া এই কোচ।
বারবারেস বলেন, ‘ফুটবল বিশ্বে আমরা খুব ছোট একটি দেশ। এটি আমাদের দেশের ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। বাস্তবতার নিরিখে সামনের ম্যাচগুলোতে আমরা ‘আন্ডারডগ’ হিসেবেই মাঠে নামব।’ তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলার সুযোগ পাওয়া আমাদের জন্য অবশ্যই অনেক বড় সম্মানের। আমরা পুরো বিশ্বের সামনে আমাদের সেরা ফুটবলটা তুলে ধরতে চাই। আমরা এমন একটি দল হতে চাই, যাদের খেলা দেখে প্রতিপক্ষ দলগুলো শ্রদ্ধা করবে। আর সেই শ্রদ্ধা আমাদের মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই অর্জন করতে হবে।’
কানাডার সম্ভাব্য একাদশ : ম্যাক্সিম ক্রেপো (গোলরক্ষক), অ্যালিস্টেয়ার জনস্টন, লুক ডি ফুগারোলস, ডেরেক কর্নিলিয়াস, রিচি লারিয়া, ইসমায়েল কোনে, স্টিফেন ইউস্তাকিও, তাজোন বুকানন, লিয়াম মিলার, জোনাথন ডেভিড, কাইল লারিন।
বসনিয়া ও হার্জেগোবিনার সম্ভাব্য একাদশ : নিকোলা ভাসিল (গোলরক্ষক), আমার দেদিচ, নিকোলা কাটিচ, তারিক মুহারেমোভিচ, সেয়াদ কোলাসিনাচ, এসমির বাজরাকতারেভিচ, বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ, ইভান সুনজিচ, আরমিন মেমিচ, এরমেদিন ডেমিরোভিচ, এডিন জেকো।