Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

অতল পদ্মায় নিথর আর্তনাদ: এক চিরস্থায়ী বিয়োগগাথা

উজ্জ্বল বিশ্বাস উজ্জ্বল বিশ্বাস
প্রকাশ : সোমবার, ৬ এপ্রিল,২০২৬, ০৯:০৩ পিএম
আপডেট : সোমবার, ৬ এপ্রিল,২০২৬, ১০:০১ পিএম
অতল পদ্মায় নিথর আর্তনাদ: এক চিরস্থায়ী বিয়োগগাথা

[ গেল মার্চের ২৫ তারিখে বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় ২৬টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা মৃতদের আত্মার শান্তি কামনা করি। বারবার এ ধরণের ঘটনা সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের কাম্য নয়। এর একটা বন্দোবস্ত হওয়া উচিত। এই মর্মস্পর্শী ঘটনাটি নিয়ে বর্তমান নিবন্ধটি রচিত। বিভাগীয় সম্পাদক]

দ্মার ঢেউ রে...

মোর শূন্য হৃদয়-পদ্ম নিয়ে যারে,

যারে ভাসিয়ে দূরে...

আমার শান্ত নদীর পাড় ভেঙেছে,

আর তো ফেরা হবে না যে রে।”

পদ্মা—বাংলার এক অবাধ্য এবং রহস্যময়ী নদী। কখনো সে দুই হাত ভরে দেয় রুপালি ইলিশের ঐশ্বর্য, আবার কখনো হয়ে ওঠে সর্বনাশা ‘কীর্তিনাশা’। নদীমাতৃক এই দেশের মানুষের জীবনের সাথে পদ্মার সম্পর্ক চিরকালের, কিন্তু সেই সম্পর্ক কখনো কখনো এমন এক ট্র্যাজেডিতে রূপ নেয়, যা সারাজীবনের জন্য এক দগদগে ক্ষত রেখে যায়। সম্প্রতি দৌলতদিয়া ঘাটে ঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা কেবল একটি যান্ত্রিক বিপর্যয় ছিল না; এটি ছিল এক নিমিষে কতগুলো সাজানো ঘর ভেঙে যাওয়ার আর্তনাদ, কতগুলো তাজা স্বপ্ন পদ্মার পলিমাটিতে সমাধি হওয়ার গল্প। সেই বিকেলের আকাশে যে সূর্যটা ডুবেছিল, তা যেন বহু মানুষের জীবনের শেষ আলোটুকুও সঙ্গে করে নিয়ে গেছে।

এক অভিশপ্ত মুহূর্তের শুরু: জহুরুল হকের সেই শেষ আকুতি

দিনটি শুরু হয়েছিল খুব স্বাভাবিকভাবে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান পথ। হাজারো মানুষ প্রতিদিন এই পথে পাড়ি জমায়। সেদিনও বাসের ভেতর থাকা যাত্রীদের চোখেমুখে ছিল ক্লান্তি, কিন্তু হৃদয়ে ছিল প্রিয়জনের কাছে ফেরার তীব্র আকাঙ্ক্ষা।

বাসের ঠিক মাঝের সারিতে বসেছিলেন পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সী জহুরুল হক। কয়েক মাস পর বিদেশ থেকে ফিরেছেন, ব্যাগভর্তি ছোট মেয়ের জন্য নতুন জামা আর স্ত্রীর জন্য পছন্দের প্রসাধনী। পকেটে রাখা মোবাইলটি বের করে তিনি শেষবারের মতো বাড়িতে কথা বলেছিলেন। “হ্যালো, শুনছো? এই তো দৌলতদিয়া ঘাটে চলে এসেছি। ফেরিতে উঠলেই ওপারে। রাতে একসাথে খাবো, শাড়িটা কিন্তু পরে থেকো।” জহুরুল হকের এই আকুতিটুকু আজও যেন বাতাসের সাথে মিশে আছে। তিনি জানতেন না, তার সেই ‘রাতে একসাথে খাওয়ার’ প্রতিশ্রুতি কোনোদিন আর পূরণ হবে না। বাসটি যখন ফেরিতে ওঠার জন্য প্লাটুনের ওপর দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল, তখনো কেউ ভাবেনি যমদূত ঠিক পাশেই ওত পেতে আছে।

হঠাৎ এক বিকট শব্দ। হেলপারের অদক্ষতায় ও নিয়ন্ত্রণহীনতায় বাসটি সামনের দিকে সরতে শুরু করে। বাসের ভেতরে থাকা যাত্রীদের চিৎকারে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে চারপাশ। কয়েক সেকেন্ড! মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে বিশাল এক যান্ত্রিক দানব তার ভেতরে থাকা জীবন্ত মানুষগুলোকে নিয়ে ছিটকে পড়ল উত্তাল পদ্মার বুকে। জহুরুল হকের সেই ফোনটি হয়তো তখনো সচল ছিল, কিন্তু ওপাশ থেকে শোনা যাচ্ছিল কেবল পানির গর্জন আর রুদ্ধশ্বাস আর্তনাদ। নদীর শান্ত জলরাশি মুহূর্তেই অশান্ত হয়ে উঠল। তারপর সব নিস্তব্ধ। কেবল রয়ে গেল পানির ওপর ভেসে ওঠা কিছু তেলের আস্তরণ আর বাসের ছাদে থাকা কিছু ল্যাগেজ।

তিতাস থেকে পদ্মা: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

পদ্মার এই ভয়াল রূপ দেখে মনে পড়ে যায় অদ্বৈত মল্লবর্মণের 'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসের সেই মর্মান্তিক সিকুয়েন্সের কথা। সেখানে তিতাস নদী যেমন শুকিয়ে গিয়ে মালো পাড়ার মানুষের জীবন ও স্বপ্নকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছিল, পদ্মা এখানে তার উল্টো—অগাধ জলরাশিতে ডুবিয়ে মারছে মানুষের বুকভরা আশা। তিতাসের পাড়ে যেমন বাসন্তী কিংবা কিশোরের স্বপ্নগুলো বালুচরে আটকে গিয়েছিল, পদ্মার এই ঘাটে জহুরুল হক কিংবা জোহরা অন্তিদের স্বপ্নগুলো পানির নিচে আটকা পড়ে আছে। তিতাস শুকিয়ে কাঁদিয়েছিল, আর পদ্মা ভরপুর হয়ে কেড়ে নিলো। ট্র্যাজেডি সেই একই—বাংলার নদীর স্রোতে বারবার ভেসে যায় সাধারণ মানুষের নশ্বর জীবন।

পানির তলে মাতৃত্বের অজেয় লড়াই

এই বিভীষিকার মাঝেও এমন এক ঘটনা ঘটেছে যা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, যদিও তা লেখা হয়েছে চোখের জলে। বাসের ভেতরে তখন অন্ধকার আর পানির প্রবল চাপ। চারদিকে বাঁচার জন্য মানুষের আকুতি, পানির নিচে শ্বাস নেওয়ার অক্ষমতা আর নিশ্চিত মৃত্যুর হিমশীতল পরশ। সেই মরণকূপে আটকা পড়েছিলেন এক মা আর তার ছোট্ট সন্তান। পানির চাপে বাসের দরজা বা জানালা খোলা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

কিন্তু মায়ের হৃদয়ে তখন নিজের প্রাণের মায়া ছিল না। তিনি জানতেন তার আয়ু ফুরিয়ে আসছে, কিন্তু তার কোলের মানিককে তিনি মরতে দিতে পারেন না। পানির নিচে সেই রুদ্ধশ্বাস পরিবেশে মা তার সমস্ত শক্তি এক জায়গায় করলেন। জানালার কাঁচের একটি ভাঙা অংশ বা সরু ফাঁকা খুঁজে পেলেন তিনি। ফুসফুসে বাতাস শেষ হয়ে আসছে, হাত-পা অবশ হয়ে আসছে, কিন্তু মাতৃত্বের শক্তি তাকে থামতে দেয়নি। তিনি তার কলিজার টুকরো সন্তানকে সেই জানালার ফাঁকা দিয়ে বাইরের দিকে ঠেলে দিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, যখন শিশুটি পানির ওপর ভেসে উঠল, তখনো কেউ জানত না নিচে এক মা তার জীবনের শেষ যুদ্ধটা লড়ে যাচ্ছেন। মা নিজে বাসের অন্ধকার কুঠুরিতে চিরতরে হারিয়ে গেলেন, কিন্তু তার শেষ নিঃশ্বাস দিয়ে ছেলেকে উপহার দিলেন এক নতুন পৃথিবী। এই আত্মত্যাগ কেবল এক মায়ের গল্প নয়, এটি হলো পৃথিবীর সবচাইতে পবিত্র সম্পর্কের এক চরম পরীক্ষা।

সাম্য আর অন্তি: একটি অসমাপ্ত প্রেমের উপাখ্যান

শুধু অজ্ঞাতনামা মা আর সন্তানই নয়, এই পদ্মার জল কেড়ে নিয়েছে এক মেধাবী দম্পতিকেও। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের (২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী জোহরা অন্তি এবং তার স্বামী সাম্য—যারা সেই বাসে ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তারা একে অপরকে ছাড়া থাকতে পারতেন না।

সাম্য তার প্রিয়তমা অন্তিকে ভালোবেসে ‘পুতুল’ বলে ডাকতেন। দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে সাম্য এক বন্ধুকে মেসেজ করেছিলেন, “পুতুলকে আজ ঘরে নিয়ে আসলাম।” দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর তারা এক ছাদের নিচে বসবাসের স্বপ্ন নিয়ে ফিরছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস… সেই পুতুল বা প্রিয়তমার সাথেই তাকেও জীবন দিতে হলো পরম ওই নির্মমতায়। উদ্ধারের পর দেখা গেছে, তারা হয়তো শেষ মুহূর্তে একে অপরের হাতটা শক্ত করে ধরেছিলেন। পদ্মার লোনা জল তাদের জীবন কেড়ে নিলেও তাদের ভালোবাসা হয়তো অমর হয়ে রইলো সেই পলল মাটির গভীরে।

স্বপ্নভঙ্গের দীর্ঘ মিছিল: ঘাটে বিলাপের ধ্বনি

দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল যখন একে একে নিথর দেহগুলো উপরে তুলে আনছিল, তখন ঘাটে উপস্থিত কয়েক হাজার মানুষের চোখের জল আর বাঁধ মানছিল না। প্রতিটি লাশের সাথে উঠে আসছিল একেকটি অসমাপ্ত অধ্যায়।

একটি লাশের পকেটে পাওয়া গেল মেয়ের বিয়ের জন্য কেনা এক জোড়া সোনার দুল। বাবা চেয়েছিলেন বাড়ি ফিরে মেয়ের কানে পরিয়ে দেবেন, কিন্তু সেই বাবা ফিরলেন সাদা কাফনে মোড়ানো এক নিথর দেহ হয়ে। অন্য এক যাত্রী ছিলেন তরুণ শিক্ষার্থী, যার ব্যাগ ভর্তি ছিল নতুন বই আর স্বপ্ন। তার সেই স্বপ্নের খাতাগুলো এখন পদ্মার জলে ভিজে ঝাপসা হয়ে গেছে।

এক বৃদ্ধা তার একমাত্র উপার্জক্ষম ছেলেকে হারিয়ে প্লাটুনের ওপর বসে আহাজারি করছিলেন। তার সেই চিৎকারে পদ্মার ঢেউগুলোও যেন থমকে দাঁড়াচ্ছিল। তিনি বারবার বলছিলেন, “পদ্মা তোরে সব দিলাম, আমার বাজানরে ফিরাইয়া দে।” কিন্তু সর্বনাশা পদ্মা তার শিকার ফেরত দেয় না। সে কেবল নিতে জানে, দিতে জানে না। প্রিয়জন হারানোর এই হাহাকারে দৌলতদিয়া ঘাটের বাতাস আজও বিষাক্ত হয়ে রয়েছে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের কাছে।

পদ্মা আজও শান্ত, কিন্তু ক্ষতগুলো জীবন্ত

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামল। ফ্লাডলাইটের আলোয় উদ্ধার কাজ চলল রাতভর। ক্রেন দিয়ে যখন দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বাসটি উপরে তোলা হলো, তখন তার ভেতরটা ছিল কেবল ধ্বংসস্তূপ। কিন্তু সেই ধ্বংসস্তূপের মাঝেও যেন মিশে ছিল সেই মায়ের স্পর্শ, যিনি তার সন্তানকে রক্ষা করেছেন। উদ্ধার হওয়া সেই শিশুটি এখন হাসপাতালে, সে হয়তো এখনো জানে না তার মা আর কোনোদিন তাকে ঘুমপাড়ানি গান গেয়ে শোনাবে না। সে হয়তো বড় হয়ে শুনবে এই দুর্ঘটনার গল্প, জানবে তার বেঁচে থাকার পেছনে রয়েছে এক বীর মায়ের চরম আত্মবলিদান।

পদ্মা নদী আবারও শান্ত হবে। ফেরি চলবে, যাত্রীরা পার হবে, ঘাটে আগের মতোই কোলাহল ফিরবে। কিন্তু যে প্রাণগুলো পদ্মার অতল গহ্বরে হারিয়ে গেল, যে স্বপ্নগুলো পলিমাটির নিচে চাপা পড়ল, তাদের সেই শূন্যস্থান কোনোদিনই পূরণ হবে না। দৌলতদিয়া ঘাটের এই বাস দুর্ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় জীবনের নিষ্ঠুর বাস্তবতা আর এক মায়ের অজেয় শক্তির কথা। নদীর তীরে পড়ে থাকা চটি জুতো, ভিজে যাওয়া ব্যাগ আর স্বজনদের চোখের জল সাক্ষী হয়ে থাকবে—প্রাণ আর স্বপ্ন আসলেই রয়ে গেল পদ্মার অতল জলে।

সড়ক পথের নিরাপত্তা ও বাস চালকের দায়

দৌলতদিয়া ঘাটের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আমাদের সড়ক ও নৌ-পথের নিরাপত্তার কঙ্কালসার চেহারাটি আবারও উন্মোচিত করেছে। যখন একটি জনাকীর্ণ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে তলিয়ে যায়, তখন তা কেবল ‘দুর্ঘটনা’ থাকে না; বরং তা হয়ে ওঠে অব্যবস্থাপনা ও অদক্ষতার এক সম্মিলিত অপরাধ। জানা গেছে, ফেরিতে ওঠার সেই সংকটময় মুহূর্তে বাসটির মূল চালক আসনে ছিলেন না; বরং বাসের হেলপার গাড়িটি চালাচ্ছিলেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়।

বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার একটি প্রধান কারণ হলো এই অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালক বা হেলপারদের হাতে স্টিয়ারিং তুলে দেওয়া। এই অদক্ষতার বলি হচ্ছে সাধারণ মানুষ, যাদের লালিত স্বপ্নগুলো নিমিষেই পিষ্ট হচ্ছে চাকার নিচে বা তলিয়ে যাচ্ছে অতল জলে। কঠোর আইন প্রয়োগ, চালকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং পন্টুনগুলোর আধুনিকায়ন ছাড়া এই লাশের মিছিল বন্ধ করা অসম্ভব।

শেষ আকুতি: রহিমা বেগমের আর্তনাদ

নিবন্ধের শেষে আমাদের কানে বাজে সত্তর বছর বয়সী রহিমা বেগমের সেই বুকফাটা আর্তনাদ। তার নাতি সেই বাসে ছিল। যখন উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হচ্ছিল, তখনো তিনি নদীর পাড়ে হাঁটু গেড়ে বসে কাদা মাখছিলেন আর বিলাপ করছিলেন।

“ওরে তোরা যাস না! আমার মানিকরে তো এখনো তুললি না। পদ্মা, তুই আমার জান নিয়া আমার নাতিরে ফিরায়া দে। ওই যে দেখ, ও আমাকে ডাকছে... আমি ওর গলার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি!”

রহিমা বেগমের এই আকুতি পদ্মার বিশাল জলরাশির কাছে অতি নগণ্য হতে পারে, কিন্তু মানবতার কাছে এটি এক বিশাল চপেটাঘাত। নদী তার আপন গতিতে বয়ে চলে, রাষ্ট্র তার নিজস্ব নিয়মে, আর সাধারণ মানুষের প্রাণ ও স্বপ্নগুলো এভাবেই চিরকাল পদ্মার লোনা জলে মিশে থাকে। আমাদের নিরাপত্তা কি কেবল খাতা-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি রহিমা বেগমদের এই কান্না কোনোদিন থামবে? প্রশ্নটি উত্তরের অপেক্ষায় আজও পদ্মার চরে প্রতিধ্বনি হয়ে ফেরে।

 

লেখক: প্রভাষক, সরকারি শহীদ মশিয়ূর রহমান ডিগ্রি কলেজ, যশোর।

*মতামত লেখকের নিজস্ব

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)