চাকরি ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ পুলিশ ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নতুন করে জনবল নিয়োগের রূপরেখা ঘোষণা করেছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা ও পুলিশের অফিসিয়াল মাধ্যমে এই বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। দেশের ৬৪টি জেলার যোগ্য ও আগ্রহী নারী-পুরুষ প্রার্থীরা এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। যদিও এবার মোট পদের সংখ্যা চূড়ান্ত করে জানানো হয়নি, তবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে এই নিয়োগ সম্পন্ন হবে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।
আবেদন করার নিয়ম ও সময়সূচি
আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ১৩ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে এবং চূড়ান্তভাবে আবেদন জমা দেওয়া যাবে ৩০ অক্টোবর বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
ওয়েবসাইট: আবেদন করতে ভিজিট করুন police.teletalk.com.bd
ফি পরিশোধ: অনলাইনে সফলভাবে আবেদন ফরম পূরণের পর প্রাপ্ত ইউজার আইডি ব্যবহার করে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রিপেইড টেলিটক সিমের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়সের শর্তাবলি
প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক এবং অবিবাহিত হতে হবে। শিক্ষা সংক্রান্ত যোগ্যতায় প্রার্থীকে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে, যা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী গণনা করা হবে।

শারীরিক যোগ্যতার বিবরণ
নিয়োগ পেতে হলে নির্ধারিত শারীরিক মাপ ও দৃষ্টিশক্তির শর্ত পূরণ করতে হবে:
পুরুষ প্রার্থী: সাধারণ ও অন্যান্য কোটার পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন উচ্চতা হতে হবে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। তবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও মুক্তিযোদ্ধা কোটার পুরুষ প্রার্থীদের জন্য ন্যূনতম উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি।
নারী প্রার্থী: সাধারণ কোটার নারীদের উচ্চতা অন্তত ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হতে হবে। তবে বিশেষ কোটার ক্ষেত্রে নারীদের ন্যূনতম উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি নির্ধারিত রয়েছে।
দৃষ্টিশক্তি: নারী-পুরুষ উভয় ধরনের প্রার্থীর দৃষ্টিশক্তি অবশ্যই ৬/৬ হতে হবে।
সতর্কবার্তা ও তথ্য প্রদানের স্বচ্ছতা
পুলিশ প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়েছে যে, সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধা ও যোগ্যতাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। আবেদনে কোনো প্রকার ভুল, ভুয়া বা মিথ্যা তথ্য প্রদান কিংবা তথ্য গোপন করার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হবে। এমনকি চূড়ান্ত নিয়োগ পাওয়ার পর পরবর্তীতেও কোনো তথ্য অসত্য প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাই অনলাইনে আবেদন সাবমিট করার পূর্বে মূল বিজ্ঞপ্তির সব নিয়মকানুন ভালোভাবে পড়ে সঠিকভাবে তথ্য পূরণের জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।