তহীদ মনি
ছবি: সংগৃহীত
আগামী ২১ এপ্রিল থেকে যশোর বোর্ডসহ সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ৬ এপ্রিল থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ স্কুল বা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবে। অনলাইনেও প্রবেশপত্র ডাউনলোডের সুযোগ রাখা হয়েছে।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বোর্ডের আওতাধীন ১০ জেলায় ২৯৯টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২ হাজার ৫৭০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ৬৬ হাজার ৬১৭ জন এবং ছাত্রী ৬৭ হাজার ৮৯৩ জন। বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে বিজ্ঞান বিভাগে ৩৯ হাজার ৩৪১ জন, মানবিক বিভাগে ৮১ হাজার ৯৫১ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৩ হাজার ২১৮ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি ২১ হাজার ৯৫৭ জন পরীক্ষার্থী যশোরে এবং সবচেয়ে কম ৬ হাজার ৬২ জন নড়াইলে।
ভৌগোলিক কারণে বাগেরহাটের ফুলহাতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬১ জন পরীক্ষার্থীর জন্য পার্শ্ববর্তী ফুলহাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি বিশেষ ভেন্যু কেন্দ্র রাখা হয়েছে। এছাড়া গত বছরের ১৯টি ভেন্যু কেন্দ্র বাতিল করে এ বছর নতুন ১৯টি কেন্দ্র যুক্ত করা হয়েছে।
বাতিল হওয়া ভেন্যু কেন্দ্র: ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ; সাতক্ষীরার সুভাষিনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়; খুলনার রূপসা বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বঙ্গবাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রোটারি স্কুল, পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খালিশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আফিল উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আর আর এফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বি কে ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন, খানাবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ইমলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুল; যশোরের সিদ্ধিপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাঁচবাড়িয়া পাঁচকাটিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়; মেহেরপুরের জুগিরগোফা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সাহেনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়; ঝিনাইদহের রোস্তম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও চাপরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং চুয়াডাঙ্গার হাসাদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
নতুন যুক্ত হওয়া ১৯ কেন্দ্র: খুলনার জে কে এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বানিনয়াখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ খানজাহান আলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়; দাকোপের চালনা কে সি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়; মোংলার নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ ও মোংলা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়; ফকিরহাটের সৈয়দ মহল্লা খোদেজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়; সাতক্ষীরার আলীপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়; যশোরের মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় ও নওয়াপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়; কুষ্টিয়ার পোড়াদহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, পিএসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও জুনিয়াদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়; চুয়াডাঙ্গার কার্পাসডাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়; ঝিনাইদহের বাজার গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজ, গুড়দহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও গাড়াগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
পরীক্ষায় নকল রোধে ১৮টি ভিজিলেন্স টিম গঠন করেছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন জানান, "একটি গ্রহণযোগ্য ও মানসম্মত পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। অতীতের নেতিবাচক অভিজ্ঞতা কাটিয়ে নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রাখা হবে।"