ক্রীড়া ডেস্ক
৪-১ গোলের জয়ে দুইটি গোল ছিলো কিলিয়ান এমবাপ্পের ছবি: সংগৃহীত
স্প্যানিশ লা লিগায় নিজেদের শক্তিমত্তার দুর্দান্ত প্রদর্শনী বজায় রেখে সেভিয়ার বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। লস ব্লাঙ্কোসদের এই বড় জয়ের নেপথ্যে মূল কারিগর ছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে, যিনি একাই করেছেন দুই গোল। আর এই জয়ের ম্যাচেই স্প্যানিশ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে লা লিগায় ৬০০টি পেনাল্টি পাওয়ার এক অনন্য রেকর্ড গড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
গতকাল অনুষ্ঠিত এই রোমাঞ্চকর ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে সেভিয়ার ডিফেন্ডার আন্দ্রেস কাস্ত্রিন ফাউল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পেকে। সঙ্গে সঙ্গেই বাঁশি বাজিয়ে পেনাল্টির নির্দেশ দেন ম্যাচ রেফারি মাতেও বুসকেটস ফেরার। আর এটিই রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে পাওয়া ৬০০তম পেনাল্টি। স্পট কিক থেকে ঠাণ্ডা মাথার চমৎকার এক ‘পানেনকা’ শটে বল জালে জড়িয়ে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি দলকে বড় জয়ের পথে এগিয়ে নেন এমবাপ্পে।
লা লিগার দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ইতিহাসে রিয়াল মাদ্রিদ তাদের পাওয়া ৬০০টি পেনাল্টি সুযোগের মধ্যে ৪৬৪টিকেই সফলতা বা গোলে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছে। গ্যালাকটিকোদের ঐতিহ্যবাহী সাদা জার্সিতে পেনাল্টি শটে সফল খেলোয়াড়দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তিনি দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৯টি শট নিয়ে বল জালে পাঠান ৬০ বার। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফরাসি স্ট্রাইকার করিম বেনজেমা ৩২টি পেনাল্টি শট থেকে অর্জন করেছেন ২৬টি গোল।
সাম্প্রতিক সময়ে এসে দ্রুতই এই তালিকায় নিজেকে ওপরে তুলে আনছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। সেভিয়ার বিপক্ষে পাওয়া শটটি ছিল রিয়ালের হয়ে তার ১৮তম পেনাল্টি, যা থেকে তিনি আদায় করে নেন নিজের ১৫তম গোল। এছাড়া ডিফেন্ডার হয়েও অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দেওয়া সার্জিও রামোস ১৭টি সুযোগের মধ্যে স্পট কিক থেকে পেয়েছেন ১৬টি গোল। তরুণ ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এখন পর্যন্ত নেওয়া ৯টি পেনাল্টির ৭টিতেই সফল হয়েছেন।
এমবাপের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং ঐতিহাসিক পেনাল্টি মাইলেজ অর্জনের এই রাতে বড় জয় নিশ্চিত করে লিগ টেবিলের শীর্ষ লড়াইয়ে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করল রিয়াল মাদ্রিদ।