ধ্রুব ডেস্ক
ত্রয়োদশ সংসদের বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
নির্বাচনি কর্মকর্তারা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা একটানা বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের ভোট হয়। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুটি আসনে নির্বাচিত হন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ আসন তিনি ছেড়ে দেওয়ায় এখন সেখানে উপ নির্বাচন হচ্ছে।
আর তফসিল ঘোষণার পর প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত হয়েছিলদ সেখানে এখন সাধারণ নির্বাচন হচ্ছে।
সংসদ নির্বাচনের সময় ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় হওয়ায় শেরপুর-৩ আসনে আর গণভোটের আর প্রয়োজন হচ্ছে না।
বগুড়া-৬
বগুড়া সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জায়েদ ইবনে আবুল ফজল বলেন, নির্বাচনি মাঠে দুজন বিচারিক হাকিম এবং ১৮ জন নির্বাহী হাকিম দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ২ হাজার ৬৫৫ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, ১ হাজার ৩৮২ জন পুলিশ সদস্য, প্রায় ২ হাজার আনসার সদস্য, ৮ প্লাটুন বিজিবি, ১০ প্লাটুন র্যাব, সেনাবাহিনী এবং ডগ স্কোয়াডসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন।
এই আসনে প্রার্থী তিনজন। তারা হলেন–বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি-বিডিপির মো. আল-আমিন তালুকদার।
ভোটকেন্দ্র ১৫০, ভোটকক্ষ ৮৩৫; ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন।
শেরপুর-৩
এই আসনে প্রার্থী তিনজন। বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ ও বাসদ (মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান।
ভোটকেন্দ্র ১২৮, ভোটকক্ষ ৭৫১; ভোটার ৪ লাখ ৯ হাজার ৮০৬ জন।
‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে সেনাবাহিনীর ১৪০ জন সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এছাড়া বিজিবির ১৬ প্লাটুন (৩২৮ জন), র্যাবের ১৪ টিম (১৩৫ জন), পুলিশের ১১৫৫ জন ও আনসার-ভিডিপির ১৭০৪ জন সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।
ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ১৮-২০ জন করে নিরাপত্তা সদস্য থাকছেন। নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম নিয়োজিত থাকবেন ৩৬ জন।
এছাড়া ইসির নিজস্ব পর্যবেক্ষক আছেন ১৮ জন করে। স্থানীয় সংস্থার পর্যবেক্ষক আছেন চার শতাধিক।
দুই আসনেই পোস্টাল ভোট থাকার তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, ভোটে ইসির নিজস্ব কর্মকর্তারা রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার হিসেবে রয়েছে। প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার মিলিয়ে ৫ হাজারের মত ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োজিত রয়েছেন।
ধ্রুব/এস.আই