Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

প্রতারণার নতুন কৌশল: ঢাবি শিক্ষার্থীর বাবাকে ভয় দেখিয়ে দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নিল চক্র

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : রবিবার, ২৪ মে,২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
প্রতারণার নতুন কৌশল: ঢাবি শিক্ষার্থীর বাবাকে ভয় দেখিয়ে দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নিল চক্র

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর কণ্ঠ নকল ও মাদকসহ গ্রেপ্তারের ভুয়া ভয় দেখিয়ে তার স্কুলশিক্ষক বাবার কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। ভুক্তভোগী মোস্তফা রুহুল কুদ্দুস সাতক্ষীরার ঘোনা ইউনিয়ন বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তার ছেলে মোস্তফা আরিফুজ্জামান আরিফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের আবাসিক ছাত্র। এই ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষক মোস্তফা রুহুল কুদ্দুস জানান, গত ২১ মে দুপুরে তার মুঠোফোনে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে কল আসে। অপর প্রান্ত থেকে তার ছেলেদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার একপর্যায়ে বলা হয়, তার ছোট ছেলে আরিফুজ্জামান মাদকসহ আরও তিনজনের সাথে ডিবির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। ফোনকর্তা নিজেকে ডিবি (গোয়েন্দা শাখা) সদস্য পরিচয় দিয়ে হুমকি দেন যে, টাকা না দিলে আরিফুজ্জামানকে আদালতে চালান দেওয়া হবে এবং মাদক মামলায় তার জেল হবে। এ সময় ছেলের সম্মানহানি ও আত্মহত্যার আশঙ্কার কথা বলে ভয় দেখানো হয়।

একপর্যায়ে চক্রটি রুহুল কুদ্দুসকে তার ছেলের মতো হুবহু শোনানো একটি কান্নাকাটি করা কণ্ঠ শোনায়, যা শুনে তিনি বিভ্রান্ত হন। ছেলেকে বাঁচানোর আকুলতায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে প্রতারকদের দেওয়া মুঠোফোন নম্বরে প্রথমে এক লাখ টাকা পাঠান। পরে সাংবাদিকরা জেনে গেছে—এমন অজুহাতে আরও টাকা দাবি করা হলে তিনি আরও ৫০ হাজার টাকা পাঠান। পরবর্তীতে স্কুলের সহকর্মী শিক্ষকদের মাধ্যমে ছেলের খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তার ছেলে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও হলের কক্ষেই আছেন।

এ বিষয়ে ঢাবি শিক্ষার্থী আরিফুজ্জামান বলেন, তার সম্পর্কে ভুয়া তথ্য সংগ্রহ করে এবং তার কণ্ঠ নকল করে একটি প্রতারক চক্র সুপরিকল্পিতভাবে তার বাবার কাছ থেকে এই টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

ঘটনার পর পরই মোস্তফা রুহুল কুদ্দুস সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি জিডি করেন, যেখানে প্রতারকদের ফোন নম্বর ও লেনদেনের বিবরণ উল্লেখ রয়েছে। সাতক্ষীরা সদর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিদর্শক (এসআই) সৈকত পাড়ে জানান, জিডিতে লেনদেনের সময় ও স্থান সংক্রান্ত কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্যের ঘাটতি আছে; সেগুলো পেলেই পুলিশ তদন্তের কাজ শুরু করবে।

এসআই সৈকত পাড়ে আরও জানান, বর্তমানে এই ধরনের প্রতারণার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। প্রতারক চক্র সাধারণত মৃত ব্যক্তি বা বয়স্ক নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে নিবন্ধিত সিম দিয়ে এই অপরাধগুলো করে থাকে। অনেক সময় তারা এমনভাবে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাপ ব্যবহার করে, যাতে সিম বন্ধ থাকলেও লেনদেন সচল থাকে। ফলে টাকা একবার প্রতারকদের হাতে চলে গেলে তা উদ্ধার করা এবং অপরাধীদের শনাক্ত করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)