ধ্রুব ডেস্ক
ইনফোগ্রাফি ছবি: সংগৃহীত
বন্ধ কারখানা চালু, থমকে যাওয়া রপ্তানি চাঙ্গা এবং মাত্র ৪ শতাংশ পর্যন্ত সুদে ঋণ দিয়ে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশাল এক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এই প্যাকেজটি মূলত একটি "উৎপাদন ও কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধার" কর্মসূচি, যা প্রায় ২৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে গতকাল এক ব্রিফিংয়ে আশাপ্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
তিনি জানান, এর মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা বন্ধ কারখানাগুলোয় পুনঃঅর্থায়ন ও পুনরায় চালুর কাজে ব্যবহার করা হবে। আর বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব তহবিল থেকে ১৯ হাজার কোটি টাকা দেবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি নথিতে দেখা গেছে, এই প্যাকেজটি প্রচলিত যেকোনো প্রণোদনার চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। এতে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কীভাবে ব্যাংকগুলোতে আটকে থাকা অলস তারল্যকে ভর্তুকিযুক্ত ঋণ, সরকারি সুদ সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনঃঅর্থায়নের মাধ্যমে সংকটাপন্ন কিন্তু উৎপাদনশীল খাতগুলোতে প্রবাহিত করা হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অতিরিক্ত তারল্য নিয়ে বসে থাকা ব্যাংকগুলোর আমানত সংগ্রহের মাধ্যমে ন্যূনতম তিন বছর মেয়াদি ৪১,০০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হবে। এগুলো মূলত সেইসব ব্যাংক, যাদের ঋণ-আমানত অনুপাত (এডিআর) ৭০ শতাংশ পার হলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার মধ্যেই রয়েছে। ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণের ঝুঁকি এবং ঋণগ্রহীতাদের দুর্বল চাহিদার কারণে, এই ব্যাংকগুলো উদ্বৃত্ত অর্থ ঋণ হিসেবে দিতে পারছিল না বা আগ্রহী হচ্ছিল না।
বাংলাদেশ ব্যাংক এসব আমানত ১০ শতাংশ সুদে গ্রহণ করবে। এই সুদের মধ্যে ৭ শতাংশ জাতীয় বাজেট থেকে ভর্তুকি হিসেবে বহন করবে সরকার, যার বার্ষিক সর্বোচ্চ সীমা হবে প্রায় ৩,০০০ কোটি টাকা। বাকি ৩ শতাংশ সুদ বাংলাদেশ ব্যাংক তার পুনঃঅর্থায়ন কার্যক্রম থেকে অর্জিত সুদের আয় থেকে পরিশোধ করবে।
এই তহবিল থেকে ঋণ নেওয়া ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংককে ৩ শতাংশ সুদ দেবে এবং নিজেরা একটি নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ সীমার (ক্যাপ) মধ্যে গ্রাহকদের ঋণ দেবে। বেশিরভাগ ঋণগ্রহীতা সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন, তবে বৃহৎ শিল্পগুলোকে ৭ শতাংশ এবং স্টার্ট-আপগুলোকে মাত্র ৪ শতাংশ সুদ দিতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এই তহবিল যাতে অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার বা ডাইভার্ট করা না হয়, সেজন্য ব্যাংকগুলোকে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, সহায়তা পাওয়া বড় বড় শিল্প ইউনিটগুলো তদারকির জন্য ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব কর্মকর্তা নিয়োগ করবে, পাশাপাশি কর্তৃপক্ষ থার্ড-পার্টি বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমেও নজরদারির বিষয়টি বিবেচনা করছে।
তিনি আরও জানান, এই স্কিমের আওতায় প্রতিটি কারখানার জন্য ব্যাংকগুলো আলাদা এস্ক্রো অ্যাকাউন্ট খুলবে, এবং ঋণ আদায়ের সুবিধার্থে উক্ত কারখানার সব রপ্তানি ও অভ্যন্তরীণ বিক্রয়ের আয় এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই পরিচালিত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি আসন্ন সার্কুলারে এই নির্দেশনাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজের কাঠামো যেমন এই কর্মসূচিটিকে দুটি পুলে বিভক্ত করা হয়েছে।
'পুল ১'-এর অধীনে থাকছে ৪১,০০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন উইন্ডো। এর সবচেয়ে বড় অংশটি অর্থাৎ ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে ব্যাংকিং সংকট, জ্বালানি স্বল্পতা এবং পুঁজির অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা খাতের ব্যবসাগুলো পুনরায় চালুর জন্য। এসব প্রতিষ্ঠান ৬ শতাংশ সুদে ঋণ পাবে।
এসএমই খাত, যা বর্তমানে ১৫-১৬ শতাংশ সুদে ঋণ নিচ্ছে, তারা ৬ শতাংশের সর্বোচ্চ সীমায় ৫,০০০ কোটি টাকা পাবে। এই প্যাকেজে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য ১০,০০০ কোটি টাকা, কৃষি হাবের জন্য ৩,০০০ কোটি টাকা এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য ৩,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
'পুল ২'-এর আওতায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৯,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা সরকারের সার্বভৌম গ্যারান্টির বাইরে থাকা স্কিমগুলোর জন্য প্রযোজ্য হবে।
এর মধ্যে রয়েছে প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট পুনঃঅর্থায়নের জন্য ৫,০০০ কোটি টাকা; পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের জন্য ৫,০০০ কোটি টাকা; প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ঋণের জন্য ১,০০০ কোটি টাকা; কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে বেকারদের জন্য ১,০০০ কোটি টাকা এবং আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রামীণ কর্মকাণ্ডের জন্য ১,০০০ কোটি টাকা।
এছাড়াও পরিবেশবান্ধব বা গ্রিন প্রোডাক্টের জন্য ১,০০০ কোটি টাকা, স্টার্ট-আপের জন্য ৫০০ কোটি টাকা, চিংড়ি ও মাছ রপ্তানির জন্য ২,০০০ কোটি টাকা, চামড়া ও পাদুকা রপ্তানির জন্য ২,০০০ কোটি টাকা এবং ডিজিটাল সেবা, মিডিয়া, বিনোদন, ফ্যাশন, চারু ও কারুকলাসহ ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বা সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে—যা দেশের ইতিহাসে এই খাতের জন্য প্রথম কোনো নির্দিষ্ট পুনঃঅর্থায়ন সহায়তা।
এই সময়েই কেন? বাংলাদেশ ব্যাংকের নথিতে স্বীকার করা হয়েছে যে, আর্থিক ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দেওয়া কাঠামোগত অদক্ষতা বা বিশৃঙ্খলা এখন স্পষ্ট। বেশকিছু ব্যাংক শ্রেণিবদ্ধ বা খেলাপি ঋণ এবং মূলধন পাচারের কারণে জর্জরিত হয়ে পড়েছে। এতে আমানতকারীদের আস্থা কমে যাওয়ার ফলে টাকা তোলার হিড়িক পড়ে, যা এসব ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার সক্ষমতাকেই হ্রাস করেছে।
একই সময়ে, আমানতকারীরা তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী ব্যাংকগুলোতে টাকা স্থানান্তর করায় ব্যাংক ব্যবস্থার অন্য অংশে অতিরিক্ত তারল্য তৈরি হয়েছে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান ঋণের ঝুঁকি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে সেই ব্যাংকগুলো উৎপাদনশীল খাতে ঋণ দিতে অনিচ্ছুক ছিল।
এর ফলে ব্যাংকিং খাতের একটি অংশে যেমন টাকা অলস পড়ে রয়েছে, অন্যদিকে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বা কার্যকরী মূলধনের অভাবে ধুঁকতে থাকা কারখানাগুলো টিকে থাকার লড়াই করছে।
বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ইতিমধ্যেই ৪.৭ শতাংশের ঐতিহাসিক সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, এই প্রণোদনা প্যাকেজটি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে সেই অচলাবস্থা ভাঙতে পারে; যা ঝুঁকি এড়াতে চাওয়া ব্যাংকগুলো থেকে অতিরিক্ত তারল্য টেনে এনে আগে থেকে চিহ্নিত খাতগুলোতে প্রবাহিত করবে।
কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্কলন অনুযায়ী, এই প্যাকেজটি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ২৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বড় কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে, যা প্রায় ৯ লাখ। এসএমই খাত থেকে ৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা করা হচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পগুলো চালু হলে ২ লাখ কর্মসংস্থান হবে। পিকেএসএফ-এর মাধ্যমে কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পে আরও ২ লাখ কর্মসংস্থান যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া বৈদেশিক কর্মসংস্থানে ১ লাখ এবং আনসার-ভিডিপির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ১ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রাক্কলন করা হয়েছে।
অন্যান্য খাত যেমন স্টার্ট-আপ, গ্রিন প্রোডাক্ট, চামড়া, চিংড়ি রপ্তানি, প্রি-শিপমেন্ট ফাইন্যান্স এবং ক্রিয়েটিভ ইকোনমির প্রতিটি থেকে প্রায় ৫০,০০০ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
ব্যাংকাররা যা বলছেন শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ বলেন, "বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি গত তিন দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ শতাংশ সুদের এই ফান্ডটি ব্যাংকগুলোর জন্য বেশ আকর্ষণীয়। কারণ বিনিয়োগের চাহিদা না থাকায় ব্যাংকগুলোর হাতে প্রচুর অলস তারল্য রয়েছে। এই টাকা কলমানি মার্কেটে মাত্র ৪-৫ শতাংশ সুদে খাটানোর চেয়ে এই ফান্ডে দেওয়া লাভজনক।"
তবে তিনি মনে করেন, যেসব ক্ষেত্রে ঋণ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম বা দুর্বল, সেখানে ব্যাংকগুলো ঋণ দেওয়া এড়িয়ে চলবে। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকের টাকা ফেরত না আসলেও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে সেই টাকা কেটে নেবে।
তিনি বলেন, "ফান্ডের ডাইভারশন (এক খাতের টাকা অন্য খাতে যাওয়া) বন্ধ করা জরুরি এবং টাকা যাতে সঠিক খাতে ব্যবহৃত হয়ে আবার ফিরে আসে—তা নিশ্চিত করতে হবে।"
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, এই প্যাকেজে কোনো ক্রেডিট গ্যারান্টি বা ঋণ নিশ্চয়তা নেই, যা ব্যাংকগুলোর জন্য একটি বড় ঝুঁকি। "একটি ব্যাংক সাধারণত তার নিজস্ব গ্রাহকদের চেনে, কিন্তু অন্য ব্যাংকের সংকটাপন্ন গ্রাহকদের ঋণ দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।"
তিনি বলেন, শুধুমাত্র টাকা দিলেই কারখানা চলবে না। কারখানা সচল করতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধান না হলে শুধু 'লিকুইডিটি' (তারল্য) দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে না।
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে অনেক রিফাইন্যান্স (পুনঃঅর্থায়ন) স্কিমের টাকা পড়ে আছে, কারণ বাজারে ঋণের পর্যাপ্ত চাহিদা নেই। তাই শুধু নতুন ফান্ড গঠন নয়, বরং বিনিয়োগের পরিবেশ ও চাহিদা তৈরি করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
যা বলছেন অর্থনীতিবিদরা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, অর্থনীতিতে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রবাহের কারণে এই প্যাকেজটি মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ফলে বেকারদের ক্রয়ক্ষমতাও বাড়লে এই চাপ কিছুটা প্রশমিত হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
এই অর্থনীতিবিদ আরও বলেন, সরকারকে অবশ্যই দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর জন্য সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি এর সঠিক বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে নিশ্চিত করতে হবে যেন তহবিল নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হয় এবং নিয়ম ভঙ্গের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা থাকে।
সিপিডির সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমানও বলেন, বন্ধ কারখানায় ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ অলাভজনক বা অচল ইউনিটগুলোকে কেবল নতুন তহবিল দিয়ে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব নয়। প্যাকেজের কার্যকর বাস্তবায়ন হলে পণ্য ও সেবার উৎপাদন বাড়বে, যা মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে সাহায্য করবে।
তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থ সরবরাহ বাড়বে। তবে প্রকল্পগুলো যদি ভালো পারফর্ম করে, তাহলে মধ্যমেয়াদে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে থাকবে।
মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, এই প্যাকেজের সুবিধাভোগী বা ঋণগ্রহীতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে। "যাদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা এবং পরিচালনাগত সক্ষমতা বেশি, সেইসব উদ্যোগকে এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।" সূত্র : টিবিএস