ধ্রুব ডেস্ক
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে নগদ অর্থ দিয়ে সমঝোতা স্মারকে স্মাক্ষর করিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এই খবরটা ছড়িয়েছে বেশ। কিন্তু এটা ঠিক নয় বলে দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের। দেশটির পক্ষ থেকে এ খবরকে ভুয়া দাবি করা হয়েছে। তারপরও এই ‘ভুয়া তথ্য ’সামাল দিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে গত কয়েক ঘণ্টায় একাধিক সাক্ষাৎকারে জোর দিয়ে বলতে হয়েছে, সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের বিনিময়ে ইরানকে কোনো নিষেধাজ্ঞা-ছাড় দেওয়া হয়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা সাফ জানাচ্ছেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের বিনিময়ে ট্রাম্প প্রশাসন নগদ অর্থ দিতে যাচ্ছে—এমন খবরে ‘ভুয়া তথ্য’ ছড়ানো হচ্ছে । এমনকি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও বলতে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেয়নি ইরানকে। আল জাজিরার খবরে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে গত কয়েক ঘণ্টায় একাধিক সাক্ষাৎকারে যেমন বলতে হয়েছে, সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের বিনিময়ে ইরানকে কোনো নিষেধাজ্ঞা-ছাড় দেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না—এ ব্যাপারে তারা সম্মত হয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে—এমন খবর সম্পূর্ণ ভুয়া।’ তিনি এ ধরনের দাবি ডেমোক্র্যাটদের প্রচারণা বলে আখ্যা দেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের জানিয়েছে, ইরানের জন্য যেকোনো সুবিধা হবে তাদের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের ওপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং জব্দকৃত সম্পদ ফেরত দেওয়ার মতো পদক্ষেপ তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া হবে না।
কর্মকর্তারা জানান, আগামী ১৯ জুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে এসব সুবিধা কার্যকর হবে না। বরং পরবর্তী ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমা শেষে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তি হলে তবেই ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দ সম্পদ ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।এই ৬০ দিনের আলোচনার মধ্য দিয়ে যে চুক্তি হবে, তা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করবে এমনটিই আশা হোয়াইট হাউসের ।
ধ্রুব/টিএম