নিজস্ব প্রতিবেদক
অধ্যক্ষ ড. শাহনাজ পারভীন ছবি: ধ্রুব নিউজ
কবি শাহনাজ পারভীনের আজ শুভ জন্মদিন। সাহিত্যের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই তার বিচরণ রয়েছে। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, গবেষণা, প্রবন্ধ, কলাম, কিশোর কবিতা, ছড়া ও গান—সব বিষয়েই তিনি দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত লিখে চলেছেন।
শক্তিমান এই কবির জন্ম ৭ মে, ১৯৬৮ সালে ফরিদপুরের কামারখালীতে। তার পিতা মো. বজলুর রহমান এবং মাতা সামসুন্নাহার ফুল। তিনি ১৯৮৩ সালে কামারখালী সরকারি গার্লস স্কুল হতে মাধ্যমিক ও ১৯৮৫ সালে কামারখালী সরকারি বীরশ্রেষ্ঠ আবদুর রউফ ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর যশোর সরকারি সিটি কলেজ থেকে স্নাতক ও ১৯৯০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল এবং ২০১২ সালে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি আয়কর উপদেষ্টা মো. শফিকুল ইসলামের স্ত্রী এবং দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জননী। বর্তমানে তিনি যশোরের পশ্চিম বারান্দী রোডের 'সুখপাখি' বাসভবনে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে কবি শাহনাজ পারভীন যশোর অভয়নগরের নওয়াপাড়া মহিলা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর উপশহর ডিগ্রি কলেজে কর্মরত অবস্থায় এমফিল ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে উপশহর মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে বর্তমানে তিনি যশোর তালবাড়ীয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘প্রোমিসড প্রফেট’, ‘নীলনদের আখ্যান’। তার গ্রন্থসংখ্যা গল্প, কবিতা ও শিশুতোষ মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৩৩টি। তিনি যশোর ‘দ্যোতনা সাহিত্য পরিষদ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ‘অগ্নিবীণা কেন্দ্রীয় সংসদ’-এর উপদেষ্টা। এছাড়া তিনি সাহিত্য কাগজ ‘দ্যোতনা ও ছড়া পত্রিকা ‘ছড়াঘর’ সম্পাদনা করছেন।
সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। ২০২২ সালে জেলা পর্যায়ে শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসেবে তিনি ‘শ্রেষ্ঠ জয়িতা’ নির্বাচিত হন।
গুণী এই কবির জন্মদিনে বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন ও শুভানুধ্যায়ীরা তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তার দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন।
কবি শিক্ষাগত জীবনে সর্বোচ্চধাপ স্পর্শ করেছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া থেকে এমফিল ও পিএইচডি অর্জন করেছেন।